৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"লা লিগায় রিয়াল বেতিসের মাঠে ৫-২ গোলের বড় জয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বার্সেলোনা। ১৭ অক্টোবর সেভিয়ার লা কার্তুহা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত গোল ও অ্যাসিস্টের সুবাদে হান্সি ফ্লিকের দল লিগের প্রথম নয় ম্যাচের সব কটিতে জিতে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমের রিয়াল মাদ্রিদের রেকর্ড স্পর্শ করল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৫-২ গোলের জয়ে চলতি লা লিগায় প্রথম নয় ম্যাচের সবকটিতে জয় তুলে নিয়ে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের গড়া ইতিহাসের পাশে নাম লেখাল বার্সেলোনা।
- ম্যাচে স্প্যানিশ তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল একটি দুর্দান্ত গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দিয়ে একটি গোল করান এবং ফাকুন্দো বের্নালের লাল কার্ডের ঘটনা জন্ম দেন।
- বার্সেলোনার হয়ে অন্যান্য গোলগুলো করেন রদ্রি, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, এরিক গার্সিয়া ও বদলি হিসেবে নামা দানি ওলমো, যাদের পাসিং ও ফিনিশিং ছিল অত্যন্ত নিখুঁত।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
লা লিগায় হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনার জয়রথ ছুটছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। ১৭ অক্টোবর সেভিয়ার লা কার্তুহা স্টেডিয়ামে রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৭ গোলের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৫-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। এই জয়ের সুবাদে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লা লিগার প্রথম নয় ম্যাচের সব কটিতেই জয়ের স্বাদ পেল বার্সা। একই সঙ্গে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের গড়া লিগের সর্বকালের সেরা শুরুর রেকর্ডটিও স্পর্শ করল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। দশম মিনিটে জুলস কুন্দের পাস থেকে বক্সের বাইরে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ২৭ মিনিটে ভ্যালেন্তিন গোমেজ হেডে সমতা আনলেও, প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৪১ মিনিটে ফেরমিন লোপেজের কর্নার থেকে হেডে নিজের প্রথম গোল করেন রদ্রি। এছাড়া জিওভানি লো সেলসোর একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনায় বাতিল হলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সফরকারীরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৫১ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বল থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এর দুই মিনিট পর বেতিসের আবদে এজালজুলি গোল করলেও উত্তেজনাকর মুহূর্তে ফাকুন্দো বের্নাল ইয়ামালকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। একজন কম নিয়ে খেলা বেতিসের রক্ষণ ভেঙে ৬২ মিনিটে পাউ কুবারসির হেডের সহায়তা থেকে ব্যবধান ৪-২ করেন এরিক গার্সিয়া। এরপর ৮১ মিনিটে বদলি নামা দানি ওলমো দলের পঞ্চম ও শেষ গোলটি করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে এবং বার্সেলোনা ততক্ষণে পাঁচটি বদলি সম্পন্ন করায় শেষ কয়েক মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। তবে এই জয় বার্সেলোনাকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান সুদৃঢ় করার পাশাপাশি কোচ হান্সি ফ্লিকের ট্যাকটিক্যাল শ্রেষ্ঠত্ব এবং তরুণ খেলোয়াড়দের কার্যকারিতা আরও একবার বিশ্ববাসীর সামনে প্রমাণ করল।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার karatoa.com.bd-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।