আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ কাপ ও ফেস্টিভ্যালের ই-টায়ারের ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই গোল খাওয়ার পর তাকিবের গোলে ব্যবধান কমালেও মোহির হ্যাটট্রিকের সুবাদে বড় ব্যবধানে শিরোপা হাতছাড়া করে লাল-সবুজের কিশোররা। ১৮৯টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ত্রয়োদশ স্থানে থেকে অভিযান শেষ করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ কাপের ই-টায়ারের ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।
- ফাইনালে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন তাকিব, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের হয়ে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেন মোহি।
- এর আগে কোয়ার্টার-ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে এবং সেমি-ফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়েছিল বাংলাদেশ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ কাপ ও ফেস্টিভ্যালের ই-টায়ারের ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দলকে। শিরোপার লড়াইয়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খায়। ম্যাচের ১৪তম মিনিটে মোহির গোলে এগিয়ে যায় সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং দুই মিনিট পর পেনেলের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে তাকিবের গোলে ব্যবধান কমে ১-২ হয়। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টেকেনি। তিন মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় ও ম্যাচের তৃতীয় গোল করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যান মোহি। পরবর্তীতে ৩৯তম মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি দলের চতুর্থ গোলটিও করেন তিনি, যা বাংলাদেশের জয়ের সব সম্ভাবনাকে ফিকে করে দেয়।
ফাইনালে হারের তিক্ত স্বাদ পেলেও টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে বাংলাদেশের কিশোররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছিল। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার-ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা, যেখানে বায়জিদ একটি এবং পাভেল জোড়া গোল করেন। এরপর সেমি-ফাইনালে গ্যাবনের বিপক্ষে রাতুলের করা একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে ফাইনালে পা রেখেছিল বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, ফিফা কর্তৃক প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই অনূর্ধ্ব-১৫ কাপ ও ফেস্টিভ্যালে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের দল অংশ নেয়। আটজনের স্কোয়াডে ২০ মিনিটের দুই অর্ধে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে ছয়টি ভিন্ন টায়ার ছিল। ই-টায়ারের ফাইনালে এই হারের মাধ্যমে লাল-সবুজের দলটির এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত লড়াইয়ের সফল সমাপ্তি ঘটল, যা ভবিষ্যতের জন্য দেশের ফুটবলকে দারুণ এক বার্তা দিল।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।