লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 02 নভেম্বর 2026, 10:22 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 39 বার পঠিত
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে আফগানিস্তান। ১৭ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে এটি তাদের সর্বোচ্চ অবস্থান। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে তারা এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বর্তমানে আফগানিস্তানের রেটিং পয়েন্ট ৯৫, যা তাদের বিশ্ব ক্রিকেটে উদীয়মান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বর্তমানে নবম স্থানে অবস্থান করছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৯৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আফগানিস্তান বর্তমানে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে, যা তাদের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ অর্জন।
  • আফগানিস্তান র‍্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কা (৯২ পয়েন্ট), বাংলাদেশ (৮৫ পয়েন্ট) এবং ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোকে পেছনে ফেলেছে।
  • ২০০৯ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার পর মাত্র ১৭ বছরের পথচলায় আফগানিস্তান বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষ ছয় দলের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে আফগানিস্তান। সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক জয়ের সুবাদে দলটি প্রথমবারের মতো র‍্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। ১৭ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে এটি আফগানিস্তানের জন্য সর্বোচ্চ অবস্থান। এই অর্জনের মাধ্যমে তারা শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিয়েছে।

আফগানিস্তানের এই উত্থানের পেছনে রয়েছে তাদের স্পিন আক্রমণ এবং ব্যাটারদের দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স। ২০০৯ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার পর থেকে দলটি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করেছে। বর্তমানে ৯৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তারা ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে, যেখানে শ্রীলঙ্কা ৯২ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম এবং বাংলাদেশ ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে অবস্থান করছে। এই র‍্যাঙ্কিং পরিবর্তন বিশ্ব ক্রিকেটের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তানের এই সাফল্য কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফসল। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি এবং রহমানুল্লাহ গুরবাজের মতো খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দলকে বড় বড় দলের বিপক্ষে জয় পেতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে বড় টুর্নামেন্টগুলোতে তাদের আগ্রাসী মানসিকতা এবং কৌশলগত পরিবর্তন প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

আফগানিস্তানের এই অগ্রগতি বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য একটি নতুন বার্তা। এটি প্রমাণ করে যে, সঠিক সুযোগ এবং বিনিয়োগ পেলে সহযোগী দেশগুলোও শীর্ষ সারির দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। আগামী দিনগুলোতে আফগানিস্তান তাদের এই অবস্থান ধরে রাখতে পারলে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য তারা অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা বিশ্ব ক্রিকেটের বাণিজ্যিক ও প্রতিযোগিতামূলক মানচিত্রে বড় প্রভাব ফেলবে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ