লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

পাঁচ বছর পর ছেলের সঙ্গে কথা হলো সু চির

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 22 অক্টোবর 2026, 06:44 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 65 বার পঠিত
পাঁচ বছর পর ছেলের সঙ্গে কথা হলো সু চির
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে সামরিক জুন্টার কঠোর বন্দিদশায় থাকা মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাঁর ছেলে কিম আরিসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম মা ও ছেলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হলো। বর্তমানে সু চি কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের মধ্যে এই ফোনালাপের খবর এল।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ ৫ বছর ধরে কারাবন্দি থাকা নেত্রী অং সান সু চি সম্প্রতি তাঁর ছেলে কিম আরিসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
  • মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক জুন্টা সরকারের কঠোর নিরাপত্তা ও নিভৃত কারাবাস নীতির মধ্যেই এই যোগাযোগের ঘটনা ঘটে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
  • যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রবাসী ছেলে কিম আরিস দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মায়ের সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন এবং এই ফোনালাপ তাঁদের দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতার অবসান ঘটিয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের সামরিক জুন্টার কঠোর কারাবন্দিদশায় থাকা নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চি তাঁর ছোট ছেলে কিম আরিসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ২০২১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে সু চিকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল। বাইরের বিশ্বের সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের যোগাযোগাধিকার ছিল না বললেই চলে। এই দীর্ঘ নীরবতা ভেদ করে মা ও ছেলের ফোনালাপের বিষয়টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চিকে রাজধানী নেপিদোর একটি গোপন কারাকেন্দ্রে এবং পরবর্তীতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। মিয়ানমারের জান্তা সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন সাজানো অভিযোগে দীর্ঘ কারাদণ্ড দেয়। এর আগে সু চির শারীরিক অবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে রেড ক্রস কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থাকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সু চির ছেলে কিম আরিস দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মায়ের জীবন রক্ষা এবং মুক্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জুন্টা সরকার পরিবারকে এই যোগাযোগের সুযোগ দিতে বাধ্য হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে এই ফোনালাপের সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু বা সু চির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও প্রকাশ করেনি সামরিক প্রশাসন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি কোনো বড় পরিবর্তন না আনলেও, গৃহবন্দি নেত্রীর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগের বিষয়টি মানবিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে চলমান আন্তর্জাতিক আন্দোলনকে এটি আরও বেগবান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ