৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ইতালিতে ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন কর্মী নেওয়ার বৃহৎ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কৃষি, পর্যটন ও কেয়ারগিভিংসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পোর্টালের মাধ্যমে নির্ধারিত ক্লিক ডে-তে আবেদন করতে হবে। তবে চূড়ান্ত সময়ের মাত্র একদিন বাকি থাকায় ইচ্ছুক প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ইতালিতে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নিয়োগের বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
- নিয়োগের কোটা অনুযায়ী অমৌসুমি চাকরিতে ৭৬ হাজার ২০০ জন, কেয়ারগিভিং খাতে ১৪ হাজার, কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৯ হাজার এবং স্বনিয়োজিত কাজে ৬৫০ জন কর্মী নেওয়া হবে।
- বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ফিলিপাইনের নাগরিকরা ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদের মধ্যে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন কর্মী নেওয়ার বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে দেশটির সরকার। মৌসুমি, অমৌসুমি ও স্বনিয়োজিত—এই তিন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের প্রার্থীরা কাজের সুযোগ পাবেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই কোটার আওতায় বিভিন্ন পেশায় কর্মী নেওয়া হবে।
নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী, অমৌসুমি চাকরির জন্য ৭৬ হাজার ২০০ জন, পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং খাতের জন্য ১৪ হাজার, মৌসুমি কাজ কৃষি ও পর্যটন খাতের জন্য ৮৯ হাজার এবং স্বনিয়োজিত কাজের জন্য ৬৫০ জনের কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ফিলিপাইনের নাগরিকরা এই আবেদনের আওতায় থাকবেন। আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে।
ইতালির ওয়ার্ক ভিসার ক্ষেত্রে বিদেশি কর্মীরা সরাসরি নিজে থেকে আবেদন করতে পারেন না। প্রথমে ইতালিতে অবস্থানরত নিয়োগকর্তা বা তার অনুমোদিত প্রতিনিধি কর্মী নেওয়ার জন্য কাজের অনুমতিপত্র বা ‘নুল্লা ওস্তা’-এর আবেদন করেন। ‘নুল্লা ওস্তা’ অনুমোদন পেলে কর্মী নিজ দেশে অবস্থিত ইতালীয় কনস্যুলেট বা ভিএফএস-এর মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন করেন। ক্লিক ডেতে আবেদন জমা হওয়াই সরাসরি ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; এটি কেবল আবেদন প্রক্রিয়ার একটি প্রাথমিক ধাপ মাত্র।
কাজের অফার লেটার, চুক্তিপত্র এবং নুল্লা ওস্তার সততা ভালোভাবে যাচাই না করে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীকে অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। ২০২৬ সালের নির্ধারিত বিভিন্ন ক্লিক ডে-র মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে এবং কোটা খালি থাকা সাপেক্ষে আবেদনের চূড়ান্ত সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।