৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে বিদেশে কর্মরত ৪ হাজারের বেশি প্রবাসীর মরদেহ বাংলাদেশে এসেছে যা দৈনিক গড়ে ১৪টিরও বেশি। কম্বোডিয়ায় সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে পাচার হয়ে নিহত চার বাংলাদেশির মরদেহ বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষায় পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ও সরকারি নজরদারির ঘাটতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে মোট ৪ হাজারের বেশি প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, যা দৈনিক গড়ে ১৪টিরও বেশি।
- কম্বোডিয়ার কুখ্যাত সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে সম্প্রতি প্রাণ হারানো ৪ বাংলাদেশির মরদেহ বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে।
- বিদেশগামী কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, চুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ এবং বিদেশে মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের মরদেহের সঠিক পরিসংখ্যান নিয়ে কঠোর মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছে অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
চলতি বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া কর্মী এবং তাদের আকস্মিক মৃত্যুর পরিসংখ্যান অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম নয় মাসেই চার হাজারের বেশি প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার দৈনিক গড় হিসাব ১৪টিরও বেশি। প্রবাসীদের এমন ক্রমবর্ধমান মৃত্যুর ঘটনায় শুধু পরিবারগুলোই নয়, গোটা দেশের জনশক্তি রপ্তানি খাত গভীর সংকটের মুখে পড়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে পাচার হয়ে নিহত চার বাংলাদেশির মরদেহ বৃহস্পতিবার দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দীর্ঘ কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রচেষ্টার পর তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মানবপাচারকারীরা উন্নত জীবনের লোভ দেখিয়ে কম্বোডিয়া ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এই যুবকদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বেআইনি কাজে বাধ্য করত বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বিদেশে কর্মী প্রেরণের পূর্বে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম কঠোরভাবে তদারকি না করায় এ ধরনের মর্মান্তিক পরিণতি ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রেই পর্যটন ভিসা বা ভুয়া জব ভিসার মাধ্যমে শ্রমিকদের বিদেশে পাঠিয়ে সাইবার অপরাধ চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন, সাইবার স্ক্যাম এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে অনেক প্রবাসী মৃত্যুবরণ করছেন বা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মৃত শ্রমিকদের পরিবারের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মানবপাচারকারী সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।