প্রেসিডেন্ট জিয়া ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের কারিগর : এ্যানি
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে।
- আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া।
- এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও পরবর্তী ঘটনাবলী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের নেতা, মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা।
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার নেতৃত্বের মাধ্যমে নতুন ও আধুনিক বাংলাদেশের চিন্তা আমাদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের কারিগর।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বিএনপি এখন যে পর্যায়ে উপনীত হয়েছে, এর নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া। কিন্তু ত্যাগ, পরিশ্রম ও আন্দোলন-সংগ্রামের বাকিটা অর্জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের। এই ক্যাম্পাসেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছাত্রদল শুরু করেন। তিনি এতটাই উদার ছিলেন, এত বেশি দেশকে নিয়ে চিন্তা করতেন, যা তিনি ছাত্রদল গঠন করতে গিয়ে এর প্রমাণ করেছেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের নেতা, মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা।
এ সময় এ্যানি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যারা এ দেশের দায়িত্ব নিয়েছিল— ১৯৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫-এ তাদের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের পর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মহান বিপ্লব ও সংহতিতে এ দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করলো।
তিনি বলেন, আমরা যখন ছাত্রদলের করেছি এবং বর্তমানে বিএনপির নেতৃত্বে রয়েছি, আমরা কখনো র মাঠে প্রতিপক্ষকে নিয়ে অশালীন শব্দচয়ন বা গালিগালাজ করতে দেখিনি। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা তে এসেছি। ফ্যাসিস্টও কোনোদিন আমাদের চোখের সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাঙিয়ে কথা বলার স্পর্ধা পায়নি। জুলাই আন্দোলনে আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করতে গিয়ে এমন অশালীন ভাষা পাইনি।
মো: শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ৫ আগস্টের পর পাটওয়ারী-সিফাত গংদের অশালীন উক্তি এবং তারেক রহমানকে টার্গেট করে, জিয়া পরিবারকে টার্গেট করে শিষ্টাচার বহির্ভূত ও নীতি বর্জিত গালিগালাজ করা হয়েছে— এটি সুস্পষ্ট অপরাধ।
আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক নয়া দিগন্ত-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।