জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সভায় চতুর্থ শ্রেণির 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' ও 'ধুলা' এবং ষষ্ঠ শ্রেণির 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' ও 'আমার কারিগরি শিক্ষা' নামক নতুন চারটি পাঠ্যবই পরিমার্জন সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এসব সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চতুর্থ শ্রেণির জন্য 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' এবং 'ধুলা' এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' ও 'আমার কারিগরি শিক্ষা' বইগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
- সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত নতুন চারখানি পাঠ্যবই পরিমার্জন সাপেক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) পৃথক সভায় চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য এই বইগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত বইগুলোর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য রয়েছে 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' ও 'ধুলা' এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য রয়েছে 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' ও 'আমার কারিগরি শিক্ষা'।
শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা এবং সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই পাঠ্যবইগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে ষষ্ঠ শ্রেণিতে 'আমার কারিগরি শিক্ষা' বইটির অন্তর্ভুক্তি শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক মানের সাথে সংগতি রেখে এবং শিক্ষাক্রমের যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতেই এই পরিমার্জন ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহারের সভাপতিত্বে চতুর্থ শ্রেণির বই সংক্রান্ত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ের অনুমোদন সভাটি সম্পন্ন হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন, প্রধান তথ্য কমিশনার ড. নাহরিন ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। নতুন এই পাঠ্যবইগুলোর অন্তর্ভুক্তি দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।