বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনাধীন ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ড্রয়ে ৮৬টি সিরিজের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৯৫৬টি নম্বর বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৪০টি বিজয়ী নম্বরের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্রয়ে ৮৬টি সিরিজের জন্য মোট ৩,৯৫৬টি নম্বর বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- পঞ্চম পুরস্কারের আওতায় ১০ হাজার টাকা করে প্রাইজমানি পাওয়ার জন্য ৪০টি নির্দিষ্ট বিজয়ী নম্বর ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে ০০২১৩৫৫, ০১৬৪১৫৯ এবং ০০৩৪৪৫১ অন্যতম।
- আয়কর আইন ২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫% হারে উৎসে কর কর্তন করা হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্রয়ের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ১০০ টাকা মূল্যমানের এই জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যমটির ড্রয়ে এবার ৮৬টি সিরিজের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৯৫৬টি নম্বর বিজয়ী হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপদ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে প্রাইজবন্ডের জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিনের। এবারের ড্রয়ে পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে লাভকারী ৪০টি বিজয়ী নম্বরের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ী নম্বর হলো—০০২১৩৫৫, ০১৬৪১৫৯, ০০৩৪৪৫১, ০১৭০৪৮৪, ০০৪৫৩১৩, ০০৪৮৫০৩, ০০৯১৯২৮, ০০৯৬১২১, ০১৪৬৮৯৩ এবং ০১৬০০৮৬। এ ছাড়া অন্যান্য সিরিজের জন্যও প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পুরস্কারের বিজয়ী নম্বরগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাইজবন্ড ক্রয়ের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ড্রয়ের অন্তত ৬০ দিন পূর্বে বন্ড ক্রয় করলেই কেবল তা ড্রয়ের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের লটারিতে বিজয়ী পুরস্কারের অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করবিধি মেনে চলতে হয়। বর্তমান আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের যেকোনো পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করা হয়। কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ বিজয়ী প্রাইজবন্ডধারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বা নিয়মাভিসারে প্রদান করা হয়ে থাকে। পুরস্কারের টাকা তোলার জন্য নির্ধারিত ক্লেম ফরম পূরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাংকে আবেদন করতে হয়।
মধ্যবিত্ত ও সাধারণ আয়ের মানুষের কাছে প্রাইজবন্ড এক যুগ ধরে অত্যন্ত নিরাপদ ও আকর্ষণীয় একটি বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এতে লোকসানের কোনো ঝুঁকি না থাকায় এবং যেকোনো সময় ভাঙানোর সুযোগ থাকায় এর চাহিদা সবসময়ই ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাইজবন্ডের নিয়মিত এই ড্রগুলো সাধারণ মানুষের সঞ্চয়প্রবণতা বাড়াতে এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।