লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

প্রথম দিনে বাজারে ঢুকেছে হাজার টন ইলিশ, দাম কত?

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 30 অক্টোবর 2026, 12:42 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 59 বার পঠিত
প্রথম দিনে বাজারে ঢুকেছে হাজার টন ইলিশ, দাম কত?
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় মাছ ধরা শুরু হওয়ার পর প্রথম দিনেই বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রায় এক হাজার টন ইলিশ এসেছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই ভোলা ও হাতিয়ার চার-পাঁচ দিন আগের পচা ও ছোট ইলিশ, যা প্রতি মণ ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে স্থানীয় জেলেরাও ভালো ইলিশ পেয়ে খুশি।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৯ অক্টোবর রাত ১২টার পর চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় মাছ ধরা শুরু হয় এবং ৩০ অক্টোবর সকালে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রায় এক হাজার টন ইলিশ বিক্রির জন্য আনা হয়।
  • ঘাটে আসা মাছের প্রায় ৭০ শতাংশই ভোলা ও নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আনা ছোট, নরম ও পচা ইলিশ, যা চার-পাঁচ দিন আগে ধরা হয়েছিল এবং নিষেধাজ্ঞা চলাকালে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল; এসব ইলিশ প্রতি মণ ১৫ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায় (কেজি প্রতি ৩৭৫-৪০০ টাকা) বিক্রি হচ্ছে।
  • স্থানীয় জেলেরাও ভালো ইলিশ পেয়েছেন এবং লিটন তপাদার ও আবুল কালামের মতো জেলেরা রাতভর নদী থেকে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার ইলিশ বিক্রি করেছেন, যেখানে স্থানীয়ভাবে এক কেজি আকারের পদ্মার ইলিশ ২৪০০ টাকা এবং সাগরের ইলিশ ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে মাছ ধরা শুরু হওয়ার পর প্রথম দিনেই উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১২টার পর থেকে জেলেরা নদীতে জাল নামান এবং শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালের মধ্যেই চাঁদপুরের বিখ্যাত বড় স্টেশন মাছঘাটে বিক্রির জন্য প্রায় এক হাজার টন ইলিশ নিয়ে হাজির হন। তবে প্রথম দিনের এই সরবরাহ নিয়ে কিছুটা বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, কারণ বাজারে আসা মাছের একটি বড় অংশে গুণগত মানের ঘাটতি রয়েছে।

মাছঘাট সূত্রে জানা যায়, ঘাটে নামানো ইলিশের প্রায় ৭০ শতাংশই ছোট আকৃতির এবং নরম বা পচা। এসব মাছ বহনকারী ট্রলার ও ট্রাকের চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এগুলো মূলত ভোলা ও নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আনা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন গত চার-পাঁচ দিন ধরে আটক করা এই ইলিশগুলো এতদিন গোপন স্থানে বা মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ব্যবসায়ীরা এগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে সরাসরি চাঁদপুর মাছঘাটে নিয়ে আসেন। এই পচা ও ছোট ইলিশগুলো প্রতি মণ ১৫ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যার প্রতি কেজির দাম পড়ছে ৩৭৫ থেকে ৪০০ টাকা।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নেমে স্থানীয় জেলেরা বেশ ভালো মাছ পাওয়ার আনন্দ প্রকাশ করেছেন। লিটন তপাদার নামের এক জেলে জানান, রাত থেকে ভোর পর্যন্ত নদীতে জাল ফেলে তিনি ১২ হাজার টাকার ইলিশ ধরেছেন। আরেক জেলে আবুল কালাম জানান, তারা সাতজন মিলে মধ্যরাতে মেঘনা নদীতে নেমে ১৫ হাজার টাকার ইলিশ বিক্রি করেছেন। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় পদ্মা-মেঘনায় ধরা পড়া এক কেজি ওজনের ইলিশ ২৪০০ টাকায়, ৮০০-৯০০ গ্রামের ইলিশ ২০০০ টাকায় এবং ছোট ৪০০-৫০০ গ্রামের ইলিশ ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সাগরের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়।

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার পর প্রথম দিনে ভালো ইলিশ পাওয়ায় স্থানীয় জেলেদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, বর্তমান ধারায় মাছ পাওয়া গেলে মৌসুমের শুরুতেই তাদের আগের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে। তবে পচা ও পুরনো মাছ বাজারে আসার বিষয়টি ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে প্রশাসনের নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ