৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা উইপো প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ১৩৯টি দেশের গবেষণা, মানবসম্পদ ও ব্যবসায়িক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে তৈরি এই তালিকায় নেপালও বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে (১০৪তম)। অপরদিকে, ৩৮তম স্থান অর্জন করে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা উইপো-এর ২০২৬ সালের গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অত্যন্ত হতাশাজনক।
- প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্ব তালিকায় ৩৮তম স্থান নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে এবং নেপাল (১০৪তম), পাকিস্তান (৯৫তম) ও শ্রীলঙ্কাও (৯৪তম) বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
- গবেষণা ও উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে পিছিয়ে থাকলেও তরুণ জনগোষ্ঠী ও ডিজিটাল খাতের প্রসারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খোলা রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক দৌড়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে ফের একটি হতাশাজনক চিত্র সামনে এসেছে। বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা বা উইপো (WIPO)-এর প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স’-এ দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক দেশের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৩৯টি দেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতা, গবেষণা, মানবসম্পদ, অবকাঠামো ও ব্যবসায়িক পরিবেশসহ নানা সূচক বিশ্লেষণ করে তৈরি এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম, যা প্রতিবেশী দেশ নেপালেরও নিচে।
এই সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নিরঙ্কুশভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত, বৈশ্বিক তালিকায় যাদের অবস্থান ৩৮তম। ভারতের পর এই অঞ্চলে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে রয়েছে ভুটান (৭৪তম), শ্রীলঙ্কা (৯৪তম), পাকিস্তান (৯৫তম) এবং নেপাল (১০৪তম)। পরিসংখ্যানটি স্পষ্টতই ইঙ্গিত দেয় যে, গবেষণা ও উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, আধুনিক প্রযুক্তির গ্রহণ এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বাংলাদেশের সামনে এখনও বিশাল চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
তবে সার্বিক চিত্রে পিছিয়ে থাকলেও বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু সম্ভাবনার জায়গাও রয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, কৃষি প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশীয় উদ্ভাবন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান বিস্তার ভবিষ্যতে উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের সুযোগ তৈরি করছে।
বিশ্বজুড়ে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে, তখন উদ্ভাবনের এই দৌড়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোকে টপকে যেতে বাংলাদেশকে আরও সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নীতিনির্ধারক ও গবেষকদের মতে, শিক্ষা ও গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া বৈশ্বিক এই সূচকে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করা সম্ভব নয়।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার আমেরিকা বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।