পত্রিকা: 'হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত হচ্ছে
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও তা ভুক্তভোগীদের মধ্যে বণ্টনের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণে কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, বিধিটি ভূতাপেক্ষভাবে (রেট্রোস্পেক্টিভ ইফেক্ট) কার্যকর হবে। ফলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ক্ষতিপূরণ আদায়ে কোনো আইনি জটিলতা থাকবে না।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যপ্রণালী বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) সংশোধন করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নিলাম ও ক্ষতিপূরণ বণ্টনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
- সংশোধিত বিধিমালাটি 'রেট্রোস্পেক্টিভ ইফেক্ট' বা ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা পাওয়ায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত সব আসামির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, বাজেয়াপ্ত সম্পদ থেকে সংগৃহীত অর্থ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে সরাসরি শহীদ ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে বণ্টন করা হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং সংগৃহীত অর্থ ভুক্তভোগী ও শহীদ পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বণ্টনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা চূড়ান্ত করতে 'রুলস অব প্রসিডিউর' বা কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধন করছে ট্রাইব্যুনাল। এই সংশোধনী চূড়ান্ত হলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রশাসনিক ও পদ্ধতিগত জটিলতার অবসান ঘটবে।
বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও বিধিমালার তাত্ত্বিক ধারায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সাধারণ বিধান রাখা হলেও তা কোন সরকারি বা প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে কার্যকর হবে, কীভাবে সম্পত্তি নিলাম বা বিক্রি করা হবে—তার কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি নির্ধারিত ছিল না। এই শূন্যতা পূরণেই ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগ কার্যপ্রণালী বিধিমালায় বিশদ সংশোধন আনছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, প্রক্রিয়াটি আইনি পরিভাষায় 'রেট্রোস্পেক্টিভ ইফেক্ট' বা পূর্ববর্তী সময় থেকে কার্যকর হবে। এর ফলে আইন সংশোধনের পূর্বের ঘটনা ও রায়ের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা সম্পূর্ণ আইনি কাঠামোর ভেতরেই সম্ভব হবে।
এই আইনি সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনে দ্রুত আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।