৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সুন্দরবনের নিকটবর্তী বাগেরহাটের রামপালে ৬৮৫ একর জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। চলতি জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য এটি উপস্থাপন করা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাগেরহাটের রামপালে ৬৮৫ একর জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০২ কোটি ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।
- প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা এবং বাকি ২ হাজার ১২৭ কোটি ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকোয়ন করা হবে।
- প্রকল্পটির বাস্তবায়নের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এবং এতে সোলার প্যানেলের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মিত হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আলোচিত বাগেরহাটের রামপালে এবার বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সুন্দরবনের কাছাকাছি এলাকায় ৬৮৫ একর জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘রামপাল ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০২ কোটি ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে বিউবোর নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে ৩৭৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। বাকি ২ হাজার ১২৭ কোটি ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আসবে ‘বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল’ থেকে। প্রকল্পটি চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং এটি চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০১২ সালে রামপালে অধিগ্রহণ করা ১ হাজার ৮৩৪ একর জমির ব্লক বি-এর ৯১৮.৫০ একর বিউবোর মালিকানাধীন জমির মধ্য থেকে ৬৮৫ একর জমি ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বাইরে গ্রিন বেল্ট, বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ, নিম্নভূমি ও লেক বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সোলার প্যানেল স্থাপনের পাশাপাশি ইনভার্টার স্টেশন, পুলিং সাবস্টেশন এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
পরিবেশগত সংবেদনশীল এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির এই বড় প্রকল্প দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ছাড়াও একনেক সভায় রেলওয়ের জন্য ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ এবং বিআইডব্লিউটিসির জন্য জলযান সংগ্রহসহ মোট ১২টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সার্বিক অবকাঠামো ও যোগাযোগ খাতে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।