৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এক নারী যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানটি ওমানের মাসকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। পরে স্থানীয় চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এক নারী যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানটি ওমানের মাসকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
- তিনি বলেন, সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ।
- সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন।’ সবশেষে তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম তার সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমি াস করি।’
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এক নারী যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানটি ওমানের মাসকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। পরে স্থানীয় চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর মাঝ আকাশে ছানোয়ারা বেগম (৫৫) নামের এক যাত্রী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে উড্ডয়নরত ফ্লাইটটিকে দ্রুত নিকটবর্তী ওমানের মাসকট বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।
১৫ হাফেজসহ ২২ জনকে ওমরাহ করাচ্ছে শারজাহ চ্যারিটি
অবতরণের পর পরই দ্রুত বিমানবন্দর চিকিৎসকদের ডেকে আনা হলে তারা পরীক্ষা করে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে ঠিক কী কারণে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বা তার মৃত্যুর মূল কারণ কী ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত নারী যাত্রীর মরদেহ ওমানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি
এদিকে মাসকট বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর সেখানে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি নির্ধারিত গন্তব্য চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে পুনরায় রওনা হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সব ইউনিটে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) জোহর নামাজের পর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবিক শিক্ষাকে স্মরণ করে দেশ, জাতি ও বাহিনীর সার্বিক কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ১ জেলের মৃত্যু, আহত ৩
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাহিনীর সদর দপ্তরসহ সব ইউনিটে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। পরবর্তীতে জোহরের নামাজ আদায়ের পর সদর দপ্তর মসজিদে আয়োজিত বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, উপমহাপরিচালকরা এবং সদর দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দিবসটির তাৎপর্য উপলক্ষে আনসার-ভিডিপি একাডেমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ ও সালাম পেশ এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম চরিত্র, মানবিকতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার, সততা ও শান্তির শিক্ষা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ মোনাজাতে মহান আল্লাহর নিকট দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক উন্নতি এবং বাহিনীর সব সদস্য ও তাদের পরিবারের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করা হয়। এ সময় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং অসুস্থ ও বিপদগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতার জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ সততা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার অনন্য শিক্ষা দেয়। তার আদর্শ অনুসরণ করে কর্মজীবনে দায়িত্বকে আমানত হিসেবে গ্রহণ, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কর্তব্য পালন এবং সহকর্মী ও সেবাপ্রার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মহানবী (সা.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
সদর দপ্তরের পাশাপাশি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অধীনস্থ সকল ইউনিটে দিবসটি পালিত হয়েছে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী এর তাৎপর্য স্মরণ, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের প্রত্যয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সম্মিলিতভাবে দোয়া করার মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনার বন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।
আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে। অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে, তবে প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানো হবে।
আজ বুধবার সংসদ ভবনে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংসদীয় কমিটি, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা, সংবিধান সংশোধন এবং আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, তৃতীয় অধিবেশনে প্রায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে। এর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর, গুম ও মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল উল্লেখযোগ্য।
সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও তারা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহারের অধিকার বজায় রাখবেন। এর মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা রোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় জনগণ নির্বাচনী ইশতেহার দেখেই ভোট দিয়েছেন এবং তাদের ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
তিনি বলেন, সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ। জুলাই সনদে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সব রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে যে অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছে, তার প্রতিটি বিষয় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
চিফ হুইপ জানান, সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বিএনপি থেকে ৭ জন এবং জামায়াত থেকে ৫ জন সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যান্য ছোট দল থেকেও একজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে। বিরোধী দল তাদের সদস্যদের নাম দিলে তাদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংবিধান সংশোধন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের সংবিধান গত ৭৬ বছরে ১০৬ বার সংশোধনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানানো বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিরোধী দল জনগণের সমস্যা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরবে এবং আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করবে।
চিফ হুইপ বলেন, আমরা চাই, বিরোধী দল সংসদে জনগণের কথা বলবে, সরকারের ভুল ধরিয়ে দেবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধানের পথ বের করবে। তিনি বলেন, তৃতীয় অধিবেশনের মধ্য দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন, সংসদীয় কমিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, কোনো সরকারের পক্ষে মাত্র ছয় মাসে দীর্ঘদিনের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘গভর্নমেন্টের বয়স ছয় মাস। আমি দারুণভাবে চেষ্টা করলাম, আমি কি ছয় মাসে একটা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট করতে পারব? তিনি বলেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলেও একটা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট করতে দুই বছর লাগে মিনিমাম।’
তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ বড় অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে সময় প্রয়োজন। তাই জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে।
বিদ্যুৎ খাতের চুক্তি প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, বিগত সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে করা বিভিন্ন চুক্তি দেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক দায় সৃষ্টি করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, দায়মুক্তির ব্যবস্থা রেখে এমন আইন করা হয়েছিল, যার ফলে এসব চুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ সীমিত। বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের কারণে জনগণের অর্থের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। তার অনন্য সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। শোষক ও অত্যাচারীর কবল থেকে রক্ষা পেতে উজ্জীবিত করেছেন অবহেলিত ও শোষিত মানুষকে। এর ফলে তিনি বৃটিশ শাসকদের চক্ষুশুলে পরিণত হন এবং কারা নির্যাতন ভোগ করেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তার অম্লান স্মৃতির প্রতি গ্রভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘কবি কাজী নজরুলের ২৩ বছরের সাহিত্য জীবনের অনন্য সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে মর্যাদার এক উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাংলা ভাষার কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে মানবতার বাণী ছিল উচ্চকিত।’
চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা মধ্যাহ্নভোজে শিক্ষামন্ত্রী
তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক চিরকালীন দ্রোহের প্রতীক। সাহিত্য ও শিল্পকর্মে তার ছিল বহুমূখী প্রতিভা। কিন্তু তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তার রচনা আমাদেরকে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম তার সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমি াস করি।’
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।