রাশিয়া সফরে ট্রাম্পের সিআইএ প্রধান, গুঞ্জন ও কৌতূহল বিশ্ব রাজনীতিতে
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় হঠাৎ সৃষ্ট এক ভয়াবহ বন্যায় বেশ কয়েকটি গ্রাম ও উন্নয়ন অবকাঠামো ভেসে গেছে। বুধবার (২৫ আগস্ট) দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় হঠাৎ সৃষ্ট এক ভয়াবহ বন্যায় বেশ কয়েকটি গ্রাম ও উন্নয়ন অবকাঠামো ভেসে গেছে।
- মস্কোও এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
- তাই এমন কাউকে হারানোর কষ্টও পরিবারের একজনকে হারানোর মতোই অনুভূত হতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় হঠাৎ সৃষ্ট এক ভয়াবহ বন্যায় বেশ কয়েকটি গ্রাম ও উন্নয়ন অবকাঠামো ভেসে গেছে। বুধবার (২৫ আগস্ট) দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নেপাল সরকারের দেওয়া তথ্যমতে, দেশটির রাসুয়া জেলার স্যাপ্রু বেসি ও তিমুরে এলাকা এই আকস্মিক বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিব্বত থেকে উৎপন্ন ‘ভোতে কোশী’ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদী অববাহিকার লোকজনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে রাসুয়া জেলার জেলা প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার বলেন, বন্যার তোড়ে অনেক ঘরবাড়ি ও সরকারি-বেসরকারি প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর এসেছে। এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য না পাওয়া গেলেও বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা অমূল্যায়ন করা যাচ্ছে না।
ঘটনার পরপরই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিখোঁজদের উদ্ধার ও স্থানীয়দের সহায়তা পৌঁছাতে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
উল্লেখ্য, তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতে কোশী নদীটি নেপালের ত্রিশূলী নদীর সঙ্গে মিশে পরবর্তীতে ভারতের গণ্ডক নদীতে রূপ নিয়েছে। এর আগেও তিব্বতের হিমবাহের হ্রদ ফেটে সৃষ্টি হওয়া বন্যায় এই অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং নেপাল-চীনের মধ্যকার একটি সংযোগ সেতু ভেসে গিয়েছিল।
ভারতের কর্ণাটকে কারাগারে থাকার কথা ছিল এক সরকারি কর্মকর্তার। কিন্তু তাকে রাখা হয়েছিল হাসপাতালে। সেখানেও সাধারণ ওয়ার্ডে নয়, বিশেষ একটি কক্ষে। পরে আদালতের আকস্মিক পরিদর্শনে ওই কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে পাওয়া যায়। তরুণী নিজেকে ওই কর্মকর্তার প্রেমিকা বলে পরিচয় দেন।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের মান্ডিয়া জেলার ম্যান্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস হাসপাতালে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুসেইন শ্রীরঙ্গপাটনার সহকারী পরিচালক (ভূমি রেকর্ড)। হিসাবসংক্রান্ত একটি অনিয়মের অভিযোগে কর্ণাটক লোকায়ুক্ত পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তার কারাগারে থাকার কথা ছিল।
তবে পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের একটি বিশেষ কক্ষে রাখা হয় তাকে।
বিষয়টি সামনে আসে মান্ডিয়ার জেলা ও দায়রা জজ সি চন্দ্রশেখরের আকস্মিক পরিদর্শনের সময়। বিচারক একটি দল নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই কর্মকর্তার কক্ষ পরিদর্শন করেন।
সেখানে চিকিৎসকদের কাছে হুসেইনের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান তিনি। এক চিকিৎসক জানান, তার এমন কোনো অসুস্থতা নেই যার জন্য হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়।
হুসেইনের জন্য বরাদ্দ বিশেষ কক্ষে এক তরুণীকে দেখতে পান বিচারক। তার পরিচয় জানতে চাইলে তরুণী নিজেকে হুসেইনের প্রেমিকা বলে জানান।
এরপর কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কেন চিকিৎসার প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও একজন বন্দিকে হাসপাতালে বিশেষ কক্ষে রাখা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শেই হুসেইনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
বিচারক জানতে চান, তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি আদালতকে জানানো হয়েছিল কি না। আদালতকে এ বিষয়ে জানানো হয়নি বলে স্বীকার করেন এক কারা কর্মকর্তা।
এ ঘটনায় বিচারক কারা কর্তৃপক্ষকে ভর্ৎসনা করেন। একই সঙ্গে হুসেইনের হাসপাতালে ভর্তি ও সেখানে থাকার পুরো বিষয় নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এদিকে বন্দী কর্মকর্তাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে চন্দন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, মান্ডিয়া জেলা আর্মড রিজার্ভে দায়িত্ব পালন করা ওই কনস্টেবল হুসেইনের সঙ্গে তার প্রেমিকার সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জার্মানির বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা বা অন্য কোনো শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর মূল্য দিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। সম্প্রতি লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।
মের্জ বলেন, এ ঘটনা প্রমাণ করে জার্মানি এখন ‘গুরুতর হুমকির’ মুখে রয়েছে এবং দেশটি ধীরে ধীরে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
গত ৪ আগস্ট পূর্ব জার্মানির লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন পাওয়া যায়। ওই সময় বিমানবন্দরে ইউক্রেনের কয়েকটি কার্গো বিমানও ছিল। তবে ড্রোনে থাকা বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিস্ফোরণ ঘটানোর যন্ত্রে ত্রুটি থাকায় এটি বিস্ফোরিত হয়নি।
পুলিশ পরে বিস্ফোরকটি নিষ্ক্রিয় করে। তদন্তকারীদের ধারণা, কাছাকাছি থাকা একটি কার্গো বিমানের সঙ্গে আরেকটি ড্রোনের সংঘর্ষ হতে পারে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ ঘটনার পেছনে রাশিয়ার হাত থাকতে পারে। তবে জার্মান সরকার সরাসরি রাশিয়াকে দায়ী করেনি। মস্কোও এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরটি জার্মান সামরিক বাহিনী এবং ন্যাটোর মিত্র দেশগুলোর সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ইউক্রেনের অ্যান্টোনভ এয়ারলাইনসের একটি ঘাঁটিও। প্রতিষ্ঠানটি ইউক্রেনের বড় একটি অংশের আকাশপথে পণ্য পরিবহন করে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান ডিএইচএলের জন্যও বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ।
মের্জ বলেন, ‘আমরা কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি, যার কিছু দেশের বাইরের এসব সমস্যা আমরা কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে পারি না।’
তিনি আরো বলেন, হামলাকারীরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তারা বড় ধরনের সম্পত্তির ক্ষতি, এমনকি মানুষের আহত হওয়া বা প্রাণহানির ঝুঁকিও নিতে প্রস্তুত। জার্মান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা পরে লাইপজিগ বিমানবন্দরের কাছে আরো একটি ড্রোন খুঁজে পান।
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনডিআর ও ডব্লিউডিআর এবং সংবাদপত্র সুডডয়চে সাইটুং জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের কাছে হেক্সোজেন নামের একটি সামরিক বিস্ফোরকের চিহ্নও পাওয়া গেছে।
নিউহার্ডেনবার্গে সরকারি জোটের এক বৈঠকের ফাঁকে মের্জ বলেন, সরকার এ ঘটনা নিয়ে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও করেছেন মের্জ। তিনি বলেন, জার্মান সরকার দৃঢ়ভাবে ইউক্রেনকে সমর্থন করে যাচ্ছে এবং বর্তমানে জার্মানিই ইউক্রেনের সবচেয়ে শক্তিশালী সমর্থক। তবে এই সমর্থনের লক্ষ্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা নয়, বরং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বসতে বাধ্য করা।
জার্মানিকে এ ধরনের হামলা থেকে আরো ভালোভাবে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান মের্জ। এর মধ্যে শক্তিশালী ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া দেশে ও বিদেশে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে ক্ষমতা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জার্মানি। এর মধ্যে হামলাকারীদের কম্পিউটার সার্ভারে সাইবার হামলা চালানোর মতো পদক্ষেপও থাকতে পারে।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে জার্মানির সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর, জ্বালানি টার্মিনাল, সমুদ্রবন্দর ও বিভিন্ন লজিস্টিক প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর দিয়ে বেশ কয়েকটি অননুমোদিত ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। পুলিশ সতর্ক করে বলেছে, এসব ঘটনার কিছু রুশ এজেন্টদের পরিকল্পনা বা পরিচালনায় হয়ে থাকতে পারে।
অনলাইনে গেম খেলতে খেলতে বন্ধুত্ব। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই দশক। গেমের সঙ্গী থেকে ধীরে ধীরে সেই মানুষটি হয়ে উঠেছিলেন পরিবারের সদস্যের মতো। সেই বন্ধুকে হারিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণা করেছেন এক ব্যক্তি। তার লেখা পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।
‘আমার ২০ বছরের গেমিং বন্ধু আর নেই’—এমন শিরোনামে পোস্টটি করা হয় রেডিটের এক্সবক্স (Xbox) কমিউনিটিতে। সেখানে তিনি বন্ধুর সঙ্গে কাটানো দীর্ঘ ২০ বছরের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন।
তিনি জানান, মাইস্পেসের সময় থেকেই তাঁদের পরিচয়। এরপর নিয়মিত একসঙ্গে গেম খেলতেন। বিশেষ করে গিয়ার্স (Gears) গেমটি তারা প্রায় প্রতিদিন খেলতেন। নতুন গেম প্রকাশের সময় রাত জেগেও একসঙ্গে খেলতে বসতেন।
তাদের বন্ধুত্ব শুধু গেমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দুজন নিজেদের ‘স্ম্যাশ ব্রাদার্স’ বলে ডাকতেন। পাশাপাশি নিয়মিত ফিফা খেলতেন। বছরের পর বছর গেম খেলতে খেলতেই তাদের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
পোস্টে ওই ব্যক্তি জানান, দুজন একই সময়ে বিয়ে করেছিলেন এবং পরে বিবাহবিচ্ছেদের মধ্য দিয়েও গেছেন। জীবনের কঠিন সময়েও তারা একে অপরের পাশে ছিলেন।
বন্ধুর মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ভোর সাড়ে ৪টায় তাকে ফোন করেছিলেন তিনি। আবার বন্ধুর বাবার মৃত্যুর সময়ও পাশে ছিলেন। বন্ধুর নাতি জন্মানোর খবরেও তিনি আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলেন।
এমনকি কয়েকবার তার বন্ধু ফ্লোরিডায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেখানে বন্ধুটির সঙ্গে তার মায়েরও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল।
বন্ধুকে হারানোর পর ওই ব্যক্তি লিখেছেন, এখন আর আগের মতো গেম খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়েই তার সংশয় হচ্ছে। দলের অন্য বন্ধুরা থাকলেও হারানো মানুষটির জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক গেমার নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেউ তাকে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আবার কেউ বলেছেন, অনলাইনে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব কখন যে পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে যায়, তা বোঝাই যায় না।
একজন মন্তব্য করেন, অনলাইনে গেম র সময় তৈরি হওয়া বন্ধুত্ব অনেক সময় বাস্তব জীবনের সম্পর্কের মতোই গভীর হয়ে ওঠে। তাই এমন কাউকে হারানোর কষ্টও পরিবারের একজনকে হারানোর মতোই অনুভূত হতে পারে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও তথ্যের অধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত উপলব্ধি ও সহজ পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সম্পাদকীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি সংকলন ও প্রস্তুত করেছে।
মোবাইল অ্যাপে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে খবর পড়ুন
স্মার্ট অডিও ন্যারেটর, ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং, অফলাইন মোড এবং দ্রুততম ব্রেকিং নিউজ নোটিফিকেশন পেতে ডাউনলোড করুন আমাদের ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।