৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাশিয়ার তীব্র ড্রোন হামলা থেকে রক্ষার্থে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের প্রধান নর্থ ব্রিজসহ গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে প্রথমবারের মতো সুরক্ষামূলক জাল বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ২০২২ সালের পর থেকে রাজধানীতে রুশ আক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় প্রায় ৩০ লাখ বাসিন্দার এই শহরের কৌশলগত যোগাযোগ ও সরবরাহ ব্যবস্থা রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কিয়েভের প্রধান নর্থ ব্রিজের দুই পাশে প্রথমবারের মতো বড় আকারের সুরক্ষামূলক জাল টানানোর কাজ শুরু হয়েছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় ব্যবহৃত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার অনুরূপ।
- সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ বর্তমানে ২০২২ সালের মার্চের পর থেকে সবচেয়ে তীব্র রুশ ড্রোন হামলার মুখোমুখি হয়েছে।
- মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এই শহরটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাশিয়ার অব্যাহত ড্রোন হামলা থেকে রাজধানী কিয়েভের কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা রক্ষা করতে অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার কিয়েভের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান নর্থ ব্রিজের দুই পাশে বড় আকারের সুরক্ষামূলক জাল টানানোর কাজ শুরু হয়, যা এএফপির সাংবাদিকদের প্রত্যক্ষ নজরে আসে। এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে কিয়েভের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রুশ বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছিল, যার ফলে রাজধানীজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও নিরাপত্তার সংকট তৈরি হয়।
মূলত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরকবাহী ড্রোন থেকে পরিবহন পথ সুরক্ষায় যেসব প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, কিয়েভের সেতুগুলোতে সেই আদলেই জাল বসানো হচ্ছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই কিয়েভ তাদের আটটি প্রধান সড়ক ও রেল সেতু নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছে, কারণ এই সেতুগুলো প্রায় ৩০ লাখ মানুষের নগরীর প্রাণকেন্দ্রের সঙ্গে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া ঘন ঘন রুশ ড্রোন হামলার কারণে কিয়েভের সেতুগুলোতে বারবার যান চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় প্রশাসন, যার ফলে রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, কিয়েভ বর্তমানে এমন এক তীব্র রুশ আক্রমণের মুখে পড়েছে, যা ২০২২ সালের মার্চের সূচনার পর থেকে আর দেখা যায়নি।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো ইতিমধ্যেই রাজধানীবাসীকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। শত্রুপক্ষ সেতু এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।