আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো ২০০৩ সাফ জয়ী এবং ২০১০ এসএ গেমস জয়ী ফুটবল দলের মধ্যকার এক নস্টালজিক প্রীতি ম্যাচ। রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে অংশ নেন আলফাজ, আমিনুল ও মামুনুলের মতো সোনালী প্রজন্মের তারকারা। খেলাটি নির্ধারিত হয় ড্রয়ের মাধ্যমে, যা আসন্ন টুর্নামেন্টের আগে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রোববার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় ২০০৩ সাফ জয়ী দল এবং ২০১০ এসএ গেমস জয়ী ফুটবল দল।
- ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে এসএ গেমস জয়ী দলের পক্ষে গোল করেন জাহিদ এবং পরবর্তীতে আলফাজ আহমেদের পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে সাফজয়ী দল।
- আগামী ৫ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে কেন্দ্র করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে এই বিশেষ প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ফ্লাডলাইটের প্রদীপ্ত আলোয় পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাস যেন ফিরে পেয়েছিল তার পুরনো যৌবন। আলফাজ আহমেদ, আমিনুল হক, আরমান, এনামুল, এমিলি ও মামুনুল ইসলামের মতো তারকারা যখন মাঠে নামলেন, তখন শুধু একটি প্রীতি ম্যাচ নয়, রচিত হলো বাংলাদেশ ফুটবলের দুই সোনালী অধ্যায়ের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ঠিক আগে এই নস্টালজিয়া লড়াই গোটা স্টেডিয়াম এলাকায় ছড়িয়ে দেয় পুরনো দিনের রোমাঞ্চকর উন্মাদনা, যা স্মরণ করিয়ে দেয় দেশের মানুষের ফুটবলের প্রতি গভীর আবেগ।
রোববার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত স্মৃতি ও আবেগের আবেশে মোড়ানো এই অনন্য প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশের ২০০৩ সাফ জয়ী দল এবং ২০১০ এসএ গেমস জয়ী দল। বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে এসএ গেমস জয়ী দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাহিদ। এর খানিক পরই আলফাজ আহমেদের পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে সাফজয়ী দল। স্কোরকার্ড ও জয়-পরাজয়ের হিসেব ছাপিয়ে ম্যাচটি পরিণত হয় দুই প্রজন্মের এক ঐতিহাসিক মিলনমেলায়।
ম্যাচ শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও ২০০৩ সাফজয়ী দলের খেলোয়াড় আমিনুল হক এবং ২০১০ এসএ গেমসে সোনাজয়ী মামুনুল ইসলাম গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন। মামুনুল ইসলাম তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, শৈশবের আইডলদের সঙ্গে খেলতে পারা এবং অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান দেশের ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। আয়োজকদের মতে, দীর্ঘ আট বছর পর ঢাকায় হতে যাওয়া এই সাফ আসর নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা তুঙ্গে।
আগামী ৫ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় পর্দা উঠবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের। প্রায় ২৩ বছর পর ঘরের মাঠে আবারও সাফ ট্রফি জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই বিশেষ উদ্যোগ এবং সাফের আগের এই নস্টালজিক লড়াই দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং আসন্ন টুর্নামেন্টের জন্য খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতিকেও চাঙ্গা করেছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।