৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পুরনো বাণিজ্যমেলার প্রায় ৩১ একর জায়গার ওপর ২০২৯ সালের মধ্যে এই নতুন সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় রাখা হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে প্রায় ৩১ একর জায়গার ওপর নতুন সচিবালয় নির্মাণ করা হবে।
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৯ সালের মধ্যে সচিবালয় স্থানান্তরের এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে 'মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়'-এর নাম পরিবর্তন করে 'নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়' করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর কেন্দ্রস্থল আবদুল গনি রোড থেকে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরের নতুন ভবনে সচিবালয়ের কার্যক্রম পুরোপুরি স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে প্রায় ৩১ একর জায়গাজুড়ে এই অত্যাধুনিক ও নান্দনিক সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। ঢাকার মূল মাস্টারপ্ল্যানে এই এলাকার জন্য নির্ধারিত জায়গা সংরক্ষিত ছিল। নতুন এই স্থাপনার স্থাপত্য নকশায় বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের মূল ভাবনার সঙ্গে ঐতিহাসিক ও নান্দনিক যোগসূত্র বজায় রাখা হবে। তবে হুবহু একই নকশায় না হলেও, ওই এলাকার সামগ্রিক স্থাপত্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন বাংলাদেশ সচিবালয় নির্মাণ করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কারের অংশ হিসেবে মন্ত্রিসভায় আরও একটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর আওতায় 'মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়'-এর নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে 'নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়'। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, এই নাম পরিবর্তনের ফলে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও যুগোপযোগী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সচিবালয় স্থানান্তরের এই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার বর্তমান ট্রাফিক জ্যাম ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। শেরেবাংলা নগরের মতো একটি প্রশস্ত ও পরিকল্পিত এলাকায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত নতুন সচিবালয় স্থাপিত হলে সরকারি দাপ্তরিক কাজের গতিশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক যুগান্তর-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।