শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আর ফিরতে পারবে না: রাশেদ খাঁন
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের অধ্যায় শেষ এবং শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার সুযোগ নেই। জাতীয় জ্বালানি সংকটের মধ্যে জামায়াত ও জোটের লংমার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি দেশকে অস্থিতিশীল না করে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙা কবরস্থানে শহীদ আবরারের কবর জিয়ারত শেষে রাশেদ খাঁন ঘোষণা করেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় চিরতরে বন্ধ হয়েছে এবং শেখ হাসিনা আর ফিরতে পারবেন না।
- জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রকে অশান্ত করার তৎপরতা কার্যত আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চক্রান্তে রূপ নিতে পারে।
- অনুষ্ঠানে আবরার ফাহাদের পিতা মো. বরকত উল্লাহসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন; যেখানে কুষ্টিয়া শহীদ আবরার স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হলের নামকরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙা কবরস্থানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অধ্যায় সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা নানাভাবে দেশে ফেরার চেষ্টা চালালেও তাঁর আর বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো বাস্তব সুযোগ নেই।
বর্তমান জাতীয় পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, জ্বালানি সংকট একটি জাতীয় সমস্যা এবং এটিকে পুঁজি করে জামায়াত কিংবা ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচি সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রকে অশান্ত করার যেকোনো অপচেষ্টা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করতে সাহায্য করবে। তাই বিরোধীদের প্রতি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা পরিহার করে সরকারকে সংকট নিরসনে সার্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামের শহীদ আবরারের চেতনাকে ধারণ করে দেশের মাটিতে তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে। আবরারের স্মৃতি রক্ষার্থে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার স্টেডিয়ামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থাপনায় তাঁর নামে নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আধিপত্যবিরোধী শক্তি রাজপথে থেকেই স্বৈরাচারের যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কবর জিয়ারতকালে শহীদ আবরার ফাহাদের পিতা মো. বরকত উল্লাহ, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্যসচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার এবং কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামাল উদ্দিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Sarabangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।