শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়, এতে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বুধবার বারাসাতের অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। এছাড়া ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ইতিবাচক মত প্রকাশ করেছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- হর্ষবর্ধন শ্রিংলা স্পষ্ট করেছেন যে, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য বা দেশে ফেরার ঘোষণার সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং এটি সম্পূর্ণভাবে তার নিজস্ব বিষয়।
- ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শ্রিংলা জানান, ভারত তার ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং এই সম্মেলনে যোগ দিলে বাংলাদেশের জন্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে।
- শ্রিংলা উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আবারও স্বাভাবিক হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাজ্যসভার সদস্য হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অডিটোরিয়ামে ‘ইন্ডিয়া অ্যান্ড ব্রিকস: দ্য ওয়ে এহেড’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। শ্রিংলা জোর দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা তার দেশে ফেরার ঘোষণা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়, যার সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শ্রিংলা বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধনে আবদ্ধ। তিনি জানান, ভারত সবসময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। বর্তমানে বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তাই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কাজ করাটা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে শ্রিংলা বলেন, ভারত তার ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের একটি বড় সুযোগ। এর আগে জি-৭ সম্মেলনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি মনে করেন, সম্মেলনে অংশগ্রহণ বা না করার সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশের নিজস্ব।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছে, তা অচিরেই কেটে যাবে বলে শ্রিংলা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার মতে, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক প্রয়োজনে দুই দেশকে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে। দুই দেশের মানুষের কল্যাণে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আবারও স্বাভাবিক ও গতিশীল হবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Jagonews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।