মাগুরা-ফরিদপুর সড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন কিংফিশার ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের তিনজন স্বেচ্ছাসেবক নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন কলেজছাত্র রাব্বি মোল্লা, নূর মোহাম্মদ আরিফ ও তামান্না তাবাসসুম ঐশী। এ দুর্ঘটনায় আহত হন আরও তিনজন। ফরিদপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মাগুরা-ফরিদপুর সড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় কিংফিশার পরিবহনের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন এবং আহত হন আরও তিনজন।
- নিহতরা সবাই 'সেভ দ্য চিলড্রেন' সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন এবং ফরিদপুরে একটি প্রশিক্ষণ শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফিরছিলেন।
- নিহত তিনজনের পরিচয়: মাগুরার মালি গ্রামের কলেজছাত্র রাব্বি মোল্লা, বারাসিয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ আরিফ এবং শ্রীপুরের মদনপুরের তামান্না তাবাসসুম ঐশী।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মাগুরা-ফরিদপুর মহাসড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’-এর তিনজন স্বেচ্ছাসেবক নিহত হয়েছেন। ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা মাগুরামুখী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘কিংফিশার’ নামের একটি যাত্রীবাহী পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন, যাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতরা হলেন মাগুরা সদর উপজেলার মালি গ্রামের ভ্যানচালক বাসারত মোল্লার একমাত্র ছেলে ও কলেজছাত্র রাব্বি মোল্লা, বারাসিয়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে নূর মোহাম্মদ আরিফ এবং শ্রীপুরের মদনপুর গ্রামের আবু জাফরের মেয়ে তামান্না তাবাসসুম ঐশী। ঘটনার দিন সকালে তারা ফরিদপুরে সেভ দ্য চিলড্রেন সংস্থার একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কাজ শেষ করে ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
ফরিদপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহত তিনজনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতে নিজ নিজ বাড়িতে মরদেহ পৌঁছালে গোটা এলাকায় শোকের মাতম ও হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
একমাত্র উপার্জনক্ষম বা পরিবারের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ নিহতদের পরিবারগুলো। মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করার কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষজ্ঞ মহল ও সচেতন নাগরিকরা মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।