লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

সেন্ট মার্টিনে ‘বিনা মূল্যে খতনা’ কর্মসূচির পর হাসপাতালে ৫০ শিশু, ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ

প্রতিবেদক / উৎস: প্রথম আলো | তারিখ: 07 অক্টোবর 2026, 07:33 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 32 বার পঠিত
সেন্ট মার্টিনে ‘বিনা মূল্যে খতনা’ কর্মসূচির পর হাসপাতালে ৫০ শিশু, ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন দ্বীপে একটি বেসরকারি উদ্যোগের আওতায় বিনা মূল্যে খতনা করানোর পর অন্তত ৫০ জন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ২০ শিশুর ক্ষতস্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি বিশেষ মেডিকেল টিম দ্বীপে গিয়ে শিশুগুলোকে জরুরি চিকিৎসা প্রদান করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • সেন্ট মার্টিন দ্বীপে একটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ২১০ জন শিশুকে বিনা মূল্যে খতনা বা সুন্নতে খতনা করানো হয়েছিল।
  • খতনা করানোর পরপরই প্রায় ৫০ জন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে অন্তত ২০ জনের ক্ষতস্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
  • ঘটনার পর কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাঠানো একটি বিশেষ মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিকিৎসা প্রদান করে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

কক্সবাজারের প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনে একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত বিনা মূল্যে খতনা কর্মসূচির পর মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছে অন্তত ৫০টি শিশু। গত কয়েক দিনে এই অদক্ষ ও অস্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়ায় খতনা করানোর ফলে শিশুগুলোর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে অন্তত ২০ শিশুর কাটা স্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে দ্বীপজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সঠিক চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতার অভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বীপে কোনো নিয়মিত বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এই গণ-খতনা কর্মসূচিটি পরিচালনা করা হয়েছিল। খতনা সম্পন্ন করার পর থেকেই শিশুরা ব্যথা ও জ্বরে আক্রান্ত হতে শুরু করে। পরবর্তীতে ক্ষতস্থানে ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণের মাত্রা বেড়ে গেলে অভিভাবকরা স্থানীয়ভাবে দুশ্চিন্তায় পড়েন। সাধারণত এ ধরনের শল্যচিকিৎসার জন্য যে ধরনের জীবাণুমুক্ত পরিবেশ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়, তার ঘাটতি ছিল স্পষ্ট।

ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। তাৎক্ষণিকভাবে কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। এই চিকিৎসক দলটি সেন্ট মার্টিনে গিয়ে অসুস্থ শিশুদের নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করে চিকিৎসা নিশ্চিত করেন। বর্তমানে বেশিরভাগ শিশুই চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সুস্থতার পথে রয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।

এ ধরনের সংবেদনশীল চিকিৎসাসেবা বা ক্যাম্প পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং কঠোর তদারকি না থাকার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত প্রটোকল না মেনে এ ধরনের কর্মসূচি পরিচালনার ফলে শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আরও কঠোর ও সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন মহল ও চিকিৎসকরা।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার প্রথম আলো-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ