৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্তমান সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রায় ৩০ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই মেগা প্রকল্পে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে আগামী ২০২৯ সাল থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও যানজট নিরসনে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্তমান সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- নতুন এই সচিবালয় কমপ্লেক্সের মোট আয়তন হবে প্রায় ৩০ লাখ বর্গফুট, যেখানে আধুনিক সব দাপ্তরিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে।
- নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৯ সাল থেকে শেরেবাংলা নগরের নতুন ভবনেই সচিবালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর বর্তমান সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং বর্তমান সচিবালয় এলাকার তীব্র যানজট নিরসনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরে প্রায় ৩০ লাখ বর্গফুট আয়তনের একটি অত্যাধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। বর্তমান সচিবালয় ভবনের স্থানসংকুলান ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে নতুন এই কমপ্লেক্সে বিশ্বমানের অফিস স্পেস, কনফারেন্স রুম, আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা এবং অর্থায়নের বিষয়টি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নিয়মিত এই প্রকল্পের অগ্রগতি তদারকি করা হচ্ছে যাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হয়।
আগামী ২০২৯ সাল থেকে শেরেবাংলা নগরের নতুন এই আধুনিক ভবন থেকেই দেশের সকল সরকারি ও দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই স্থানান্তরের ফলে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থার ওপর চাপ কমার পাশাপাশি সরকারি সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদরা আশা প্রকাশ করছেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।