লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

শেষ হলো দুইদিনব্যাপী ফাতেমা রানীর তীর্থ উৎসব | খবর | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) - Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 30 অক্টোবর 2026, 01:54 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 60 বার পঠিত
শেষ হলো দুইদিনব্যাপী ফাতেমা রানীর তীর্থ উৎসব | খবর | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) - Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

শেরপুরের গারো পাহাড়ে ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দুই দিনব্যাপী বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ফাতেমা রানীর তীর্থ উৎসব সমাপ্ত হয়েছে। হাজারো পুণ্যার্থীর মোমবাতি প্রজ্বলন, আলোক শোভাযাত্রা ও প্রার্থনা সভার মধ্য দিয়ে উৎসবটি শেষ হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পুণ্যার্থীরা এই ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • শেরপুরের গারো পাহাড়ে অবস্থিত ফাতেমা রানীর তীর্থস্থানে দুই দিনব্যাপী এই ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম তীর্থ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • হাজারো পুণ্যার্থীর অংশগ্রহণ এবং মোমের আলোয় আলোকিত আলোক শোভাযাত্রা এই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল।
  • উৎসবের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

শেরপুরের গারো পাহাড়ে অবস্থিত সেন্ট মেরি ফাতেমা রানীর তীর্থস্থানে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক তীর্থ উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শেরপুরে সমবেত হন। মোমের আলো হাতে নিয়ে পাহাড়ি রাস্তায় পুণ্যার্থীদের আলোক শোভাযাত্রা পুরো এলাকাকে এক অন্যরকম আধ্যাত্মিক আবহে রূপ দেয়, যা এই তীর্থ উৎসবের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।

প্রতিবছর নভেম্বর মাসের শেষ দিকে কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে এই তীর্থ উৎসবের আয়োজন করা হয়। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের বিশ্বাস ও ভক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে এই পবিত্র স্থানে সমবেত হন। প্রার্থনা, বিশেষ উপাসনা এবং সমবেত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে বিশ্বের শান্তি, মানবকল্যাণ এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোলে অবস্থিত এই তীর্থস্থানটি দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যের একটি অন্যতম বড় উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।

উৎসব সফল করতে আয়োজক কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। পুণ্যার্থীদের যাতায়াত, আবাসন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োজিত ছিল। এছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তীর্থস্থান ও এর আশেপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সমাপ্ত হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও গির্জা কর্তৃপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এই তীর্থ উৎসব কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন ও ঐক্য সুদৃঢ় করে। পর্যটন ও সংস্কৃতির দিক থেকেও গারো পাহাড়ের এই আয়োজন জাতীয় পর্যায়ে বেশ গুরুত্ব বহন করে। প্রতিবছর দেশি-বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের সমাগমে এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কার্যক্রমেও এক ইতিবাচক গতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ