৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"নাইন-ইলেভেনের কায়দায় বিমান হাইজ্যাক ও বড় ধরনের হামলার ছক রুখে দিয়েছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। হামলার সময় তাকে ছুরিকাঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। অভিযুক্তের নাম হামামি আলহামামি। চরমপন্থী মনোভাবের কারণে ওমান এয়ার তাকে আগেই নিষিদ্ধ করেছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরবর্তীতে সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেয়।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে বিমান চালনার সময় ছুরিকাঘাত করে ক্ষতবিক্ষত ও হাইজ্যাকের চেষ্টা করা অভিযুক্ত কো-পাইলটের নাম হামামি আলহামামি।
- আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চরমপন্থী মনোভাবের কারণে ওমানের জাতীয় বিমান সংস্থা 'ওমান এয়ার' থেকে তাকে আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
- ওমান এয়ার থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পর অভিযুক্ত হামামি আলহামামি পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান সংস্থা 'ফ্লাইদুবাই'-এ কো-পাইলট হিসেবে যোগ দেয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নাইন-ইলেভেনের আদলে বিমান ছিনতাই ও বড় ধরনের নাশকতার ছক সাহসিকতার সঙ্গে ভেস্তে দিয়েছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। আকাশে থাকাকালীন তার ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করে কো-পাইলট। এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ভারতীয় পাইলটের বীরত্বের প্রশংসা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কার বা কাদের মদদে এবং কী উদ্দেশ্যে এই আত্মঘাতী হাইজ্যাকের চেষ্টা করা হয়েছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা কো-পাইলটের আসল পরিচয় ও অন্ধকার অতীতের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের যৌথ প্রতিবেদনে প্রকাশ, অভিযুক্ত কো-পাইলটের নাম হামামি আলহামামি। সৌদি সংবাদমাধ্যম 'আল আরাবিয়া'-র সূত্র উল্লেখ করে জানা গেছে যে, আলহামামির উগ্রপন্থী ও চরমপন্থী মনোভাবের বিষয়টি বহু আগেই ওমান এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছিল। এর জেরে ওমানের জাতীয় বিমান সংস্থা 'ওমান এয়ার' তাকে ওমানের আকাশসীমায় বিমান চালনা থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছিল। যদিও সেই সময় এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো কঠোর আইনি পদক্ষেপ বা প্রামাণ্য নথি জনসমক্ষে আনা হয়নি।
ওমান এয়ার থেকে বাদ পড়ার পরও অভিযুক্ত আলহামামি কীভাবে পুনরায় বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটে বসার সুযোগ পেল, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। সূত্র মারফত জানা যায়, ওমানে কাজ হারানোর পর সে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনপ্রিয় বিমান সংস্থা 'ফ্লাইদুবাই'-এ কো-পাইলট হিসেবে নতুন চাকরি নেয়। ফ্লাইদুবাইয়ে কর্মরত অবস্থাতেই সে এই দুঃসাহসী ও ভয়ংকর হাইজ্যাকের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়।
এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা এবং ককপিট ক্রু নিয়োগের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা অতীত যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাণিজ্যিক বিমানগুলোতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্য ও রাজনৈতিক বা চরমপন্থী সংশ্লিষ্টতা কঠোরভাবে মনিটরিং করার দাবি জানিয়েছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বজুড়ে আকাশপথের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান সংস্থাগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতি আরও কঠোর করার সময় এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।