সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কোরআন-সুন্নাহবিরোধী: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সম্পত্তি হস্তান্তর আইনকে কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক দাবি করে এই আইন অনুমোদন না দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের মতামত নি..."
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনকে কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক দাবি করে এই আইন অনুমোদন না দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
- তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি স্কলারদের নিয়ে আইনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে।
- আর আল্লাহ না করুন, কোনো সরকারকে হয়তো আবারও ফ্যাসিবাদের দিকে আকৃষ্ট করবে।’ এর আগে এই বিতর্কিত আইনের প্রতিবাদে তাদের দলীয় সংসদ সদস্যরা সংসদ বর্জন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনকে কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক দাবি করে এই আইন অনুমোদন না দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
একই সঙ্গে আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের মতামত নিয়ে পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন নিয়ে আলোচনার সময় দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনটি আসলেই কোরআন এবং সুন্নাহর সঙ্গে একেবারে সাংঘর্ষিক।’
আইনটি এরইমধ্যে সংসদে পাস হলেও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি যেন এতে সই না করেন—সংসদ থেকে সেই অনুরোধ জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের প্রসিদ্ধ ও শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা এই আইনটির বিষয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করেছেন এবং এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।
সরকার ও বিএনপির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি বলেন, যেহেতু তারা অতীতে বলেছেন যে কোরআন-সুন্নাহর বিপরীতে কোনো আইন করা হবে না, তাই এই ওয়াদা রক্ষার্থে আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে ফেরত পাঠানো যেতে পারে।
তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি স্কলারদের নিয়ে আইনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় তারাও সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
এই আইন প্রণয়নের পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা ওয়াক আউট করেছি, প্রতিবাদ করেছি। আমরা মনে করি, এই আইনগুলো জনগণকে নয়, বরং সরকারকে সুবিধা দেবে। আর আল্লাহ না করুন, কোনো সরকারকে হয়তো আবারও ফ্যাসিবাদের দিকে আকৃষ্ট করবে।’
এর আগে এই বিতর্কিত আইনের প্রতিবাদে তাদের দলীয় সংসদ সদস্যরা সংসদ বর্জন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Jagonews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।