লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

প্রতিবেদক / উৎস: Dhakatimes24 | তারিখ: 09 অক্টোবর 2026, 06:37 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 55 বার পঠিত
সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"সন্দেহের বশে কোনো ভারতীয় নাগরিককে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না বলে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। ছত্তিশগড়ে আটক মুর্শিদাবাদের চার পরিযায়ী শ্রমিকের মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই রায় দেন। আদালত স্পষ্ট করেছে, আধার বা প্যান কার্ড বাতিল না করে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো আইনত অসিদ্ধ এবং এটি নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দিয়েছেন যে, যথাযথ প্রমাণ ছাড়া কাউকে ‘বাংলাদেশি’ চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো যাবে না এবং আধার বা প্যান কার্ড বাতিল না করে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা বেআইনি।
  • মুর্শিদাবাদের চার পরিযায়ী শ্রমিককে ছত্তিশগড় পুলিশ সন্দেহের বশে আটক করে ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখেছিল, যাদের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
  • আদালত রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে জানিয়েছে, নাগরিকত্বের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি বা অহেতুক সন্দেহের কারণে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব করা সংবিধানবিরোধী।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

সন্দেহের বশে কোনো ভারতীয় নাগরিককে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করার প্রবণতায় রাশ টানলেন কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের একক বেঞ্চ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। মুর্শিদাবাদের চার পরিযায়ী শ্রমিকের মামলার প্রেক্ষিতে আদালত এই পর্যবেক্ষণ দেয়, যারা ছত্তিশগড়ে কাজ করতে গিয়ে পুলিশের সন্দেহের কবলে পড়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত ছত্তিশগড়ে আটক চার যুবকের নাগরিকত্ব নিয়ে পুলিশের অহেতুক সংশয় থেকে। তাদের কাছে বৈধ আধার কার্ড ও প্যান কার্ড থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠায়। হাইকোর্ট তার রায়ে উল্লেখ করেছে, আধার বা প্যান কার্ডের মতো সরকারি নথিপত্র বাতিল না করে কাউকে বিদেশি তকমা দেওয়া যায় না। এটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।

আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী সামিরুল ইসলাম, যিনি রাজ্য প্রশাসনের গাফিলতির বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। বিচারপতি সেনগুপ্তের নির্দেশে ওই চার শ্রমিককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আদালত আরও জানিয়েছে, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের নামে পুলিশি হয়রানি এবং ডিটেনশন ক্যাম্পের যথেচ্ছ ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই রায় পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই রায়ের ফলে ভবিষ্যতে পুলিশি তদন্তের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও যে ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়, তা এই রায়ের মাধ্যমে অনেকটা প্রশমিত হবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। এটি কেবল চার শ্রমিকের মুক্তি নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষার অধিকারকে পুনরায় সুপ্রতিষ্ঠিত করল কলকাতা হাইকোর্ট।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Dhakatimes24-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ