সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও সংশোধন ছাড়া 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নের দাবিকে গায়ের জোরের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদের বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি রয়েছে এবং তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অবিভক্ত সবুজবাগ থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শামসুল হুদার স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
- রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এতে অনেক দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে।
- স্মরণসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক ছাত্রনেতা ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে এবং আইনি কাঠামো উপেক্ষা করে 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নের দাবিকে সরাসরি 'গায়ের জোরের শামিল' বলে অভিহিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। শনিবার দুপুরে রাজধানীর মান্ডা হায়দার আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। অবিভক্ত সবুজবাগ থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম শামসুল হুদার স্মরণে মুগদা থানা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন এই সভার আয়োজন করে।
রিজভী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, জুলাই সনদে কিছু সাধারণ আইনের পাশাপাশি সরাসরি সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জড়িত। তাই আলোচনা ও সংসদের মাধ্যম ছাড়া একতরফা কোনো দাবি চাপিয়ে দেওয়া আইনি পথ হতে পারে না। এই সনদের বিষয়ে বিএনপি এবং অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও আপত্তি বা 'নোট অব ডিসেন্ট' দেওয়া হয়েছে, যা টেবিলে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত বলে তিনি মত দেন।
স্মরণসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ ইউনুস মৃধা। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রয়াত নেতা শামসুল হুদার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করা হয়। বক্তারা বলেন, প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি সর্বদা দলের শৃঙ্খলা ও আদর্শ বজায় রেখেছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন বিভিন্ন ধরনের অসদাচরণ ও মিথ্যাচার বাড়ছে, তখন মরহুম শামসুল হুদার মতো অভিভাবকতুল্য ও বিনয়ী নেতার আদর্শ অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে নেতারা অভিমত প্রকাশ করেন।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।