৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমিরাতফেরত এক যাত্রীর পায়ুপথ থেকে অভিনব কায়দায় লুকানো ৩টি সোনার ডিম উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও শুল্ক কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন প্রায় ৬০০ গ্রাম এবং বাজারমূল্য অর্ধকোটি টাকার বেশি। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের পর আদালত অভিযুক্ত যাত্রীকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমিরাত থেকে আসা মো. আল আমিন নামের এক যাত্রীর পায়ুপথ থেকে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩টি সোনার ডিম উদ্ধার করা হয়।
- উদ্ধার হওয়া এই সোনার মোট ওজন প্রায় ৬০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার অধিক বলে কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে.
- ঘটনার পর বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয় এবং আদালত আসামি যাত্রীকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠান।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের অভিনব কৌশলে সোনা চোরাচালানের একটি বড় চালান ধরা পড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে আসা এক যাত্রীর শরীর তল্লাশি করে পায়ুপথ থেকে বিশেষ প্রযুক্তিতে লুকানো তিনটি সোনার ডিম উদ্ধার করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও শুল্ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। জব্দকৃত এই সোনাগুলোর আনুমানিক ওজন প্রায় ৬০০ গ্রাম, যা বর্তমান বাজারদরে অর্ধকোটি টাকার কাছাকাছি।
সাম্প্রতিক সময়ে সোনা চোরাকারবারিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অভিনব পদ্ধতি বেছে নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় ওই যাত্রীর গতিবিধি ও শারীরিক ভাষায় অসঙ্গতি লক্ষ করেন গোয়েন্দারা। পরবর্তীতে তাকে সিকিউরিটি হোল্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে তার পায়ুপথে লুকানো ডিম আকৃতির সোনার অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয় এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে তা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক চোরাচক্রের সক্রিয় সদস্যরা বিভিন্ন প্রলোভনে সাধারণ যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক যাত্রী চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত একটি সিন্ডিকেটের নাম প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে এবং বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় শুল্ক আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিমানবন্দরকেন্দ্রিক এই ধরনের চোরাচালান রোধে কাস্টমস এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bdnews24.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।