ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সমাপ্তির পর শরীয়তপুরের পদ্মায় জেলের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে বড় আকৃতির পাঙাশ মাছ। গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শেষ হওয়া ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এসব সুস্বাদু পাঙাশ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলেদের মুখে হাসি ফুটেছে। বাজারে এসব মাছের প্রচুর চাহিদা থাকায় খুশি ব্যবসায়ী ও ক্রেতারাও।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২২ দিনের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়।
- অভিযান শেষ হওয়ার পর থেকেই শরীয়তপুরের পদ্মায় জেলের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে বড় বড় পাঙাশ মাছ ধরা পড়ছে।
- নদীতে প্রচুর পাঙাশ পাওয়ায় স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক অর্থনৈতিক স্বস্তি ও কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর থেকেই শরীয়তপুরের পদ্মায় জেলের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে বড় আকৃতির পাঙাশ মাছ। গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জেলের জাল ফেললেই মিলছে এই সুস্বাদু দেশীয় মাছ। আকৃতিতে বড় হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এসব পাঙাশের চাহিদাও রয়েছে তুঙ্গে।
দীর্ঘ ২২ দিন প্রজনন মৌসুমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জেলেরা নদীতে যেতে পারেননি। তবে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নদীতে নামার পরপরই এমন বাম্পার ফলন জেলেদের সব হতাশা দূর করে দিয়েছে। পদ্মার জেলের জালে একেকটি পাঙাশের ওজন ৫ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত হওয়ায় ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন তারা।
স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, পদ্মার পানির স্বাভাবিক প্রবাহ এবং সময়মতো প্রজনন সুযোগ পাওয়ার কারণেই এ বছর পাঙাশের বংশবৃদ্ধি ভালো হয়েছে। পাইকারি আড়তগুলোতেও প্রতিদিন টন টন পাঙাশের সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতারাও সুলভ মূল্যে তা কিনতে পারছেন। নদী তীরবর্তী হাটবাজারগুলোতে এই সুসংবাদে মাছ ব্যবসায়ীদের মাঝেও প্রাণ ফিরে এসেছে।
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের সময়োপযোগী ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক জলজ ecosystems-এর ওপর। এর ফলে কেবল ইলিশ নয়, বরং পাঙাশসহ অন্যান্য দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বিচরণও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।