৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) হিন্দু জাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তীব্র সংঘর্ষ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা মূল গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন এবং ক্যাম্পাসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন উপাচার্য।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (SRFTI) ক্যাম্পাসে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ চলাকালে তীব্র সংঘর্ষ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
- বিক্ষোভকারীরা ক্যাম্পাসের মূল গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় এবং ক্যাম্পাস লক্ষ্য করে ইট ও কাচের বোতল ছোঁড়া হয়।
- এই অপ্রত্যাশিত সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চললেও উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ক্যাম্পাসের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
কলকাতার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (SRFTI) গত কয়েকদিনের উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ব্যানারে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে ইনস্টিটিউট চত্বরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসের দিকে এগোলে নিরাপত্তা বেষ্টনী ও মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা চূড়ান্ত রূপ নেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং ক্যাম্পাস লক্ষ্য করে ইট ও বোতল ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে।
উত্তাল এই পরিস্থিতিতে ইনস্টিটিউটের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষের ফলে ক্যাম্পাস চত্বরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পায়। ঘটনার আকস্মিকতায় মূল ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও শিক্ষক। পুলিশ ও অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ থাকতে হয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের।
সংঘর্ষের জেরে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকেও আইন লঙ্ঘন ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ক্যাম্পাস চত্বরে থমথমে ভাব বজায় রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চলমান এই অস্থিরতা দেশের অন্যতম শীর্ষ এই সৃজনশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক পরিবেশকে চরমভাবে ব্যাহত করছে। সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের সহিংসতা এবং রাজনৈতিক বা আদর্শিক সংঘঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধে সচেতন মহল ও সুধীসমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার eisamay.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।