৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"রবিবার কলকাতার মুকুন্দপুরে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (SRFTI) সামনে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের বিক্ষোভ। স্বামী বিবেকানন্দের ছবি অবমাননা, ভারতমাতার ছবি ছেঁড়া ও পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগানের অভিযোগে ইনস্টিটিউট গেট ভাঙার চেষ্টা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রতিবাদীরা হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং এক পুলিশ কর্মী নিগৃহীত হন।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ব্যানারে রবিবার কলকাতার মুকুন্দপুরে SRFTI ক্যাম্পাসের সামনে স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ও ভারতমাতার অবমাননার প্রতিবাদে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
- বিক্ষোভ চলাকালীন আনন্দ সাহু, ববিতা প্রসাদ ও সুধাংশু সিংয়ের মতো সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী স্লোগান ও কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলেন।
- উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে, যার ফলে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণসহ মোবাইল ও হাতঘড়ি ছিনতাই হয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রবিবার কলকাতার মুকুন্দপুরে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (SRFTI) সামনে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বামী বিবেকানন্দকে অবমাননা ও ভারতমাতার ছবি ছেঁড়ার গুরুতর অভিযোগ তুলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ব্যানারে একদল বিক্ষোভকারী ইনস্টিটিউট চত্বরে বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎক্ষণাৎ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা ইনস্টিটিউটের মূল গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, ইনস্টিটিউটের কিছু শিক্ষার্থী ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে। বিক্ষোভকারী আনন্দ সাহু ও ববিতা প্রসাদ দাবি করেন, অভিযুক্তরা স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মারা ও থুতু ছেটানোর পাশাপাশি 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' স্লোগানও দিয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ বিক্ষোভকারীরা ঘটনাস্থলে বসে হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং গেরুয়া রঙের পোশাক ও স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহামানবকে নিয়ে কটূক্তির তীব্র প্রতিবাদ জানান।
উত্তেজনা চলাকালীন সংঘটিত সংঘর্ষে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক কর্মী গুরুতর আহত হন। ওই পুলিশ কর্মীর দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মারধর করা হয়, যার ফলে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ ঘটে এবং তার মোবাইল ফোন ও হাতঘড়ি ছিনতাই হয়ে যায়। যদিও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলা হয়েছে যে আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সংবিধানসম্মত উপায়ে পরিচালিত হচ্ছিল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ছাত্রছাত্রীদের একাংশের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে কੱপড়পন্থী সংগঠনের এমন আক্রমণাত্মক প্রতিবাদ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও বাকস্বাধীনতার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Asianet News Bangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।