লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

Supreme Court: মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার নয়, ককরোচ পার্টির যন্তরমন্তর চলো নিয়ে দিল্লিতে

প্রতিবেদক / উৎস: ABP Ananda | তারিখ: 09 অক্টোবর 2026, 01:09 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 71 বার পঠিত
Supreme Court: মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার নয়, ককরোচ পার্টির যন্তরমন্তর চলো নিয়ে দিল্লিতে
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"দিল্লিতে ককরোচ পার্টির 'যন্তরমন্তর চলো' কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মেট্রো ও ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিধিনিষেধ থাকতেই পারে, তবে জনজীবন সম্পূর্ণ থমকে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত মেট্রো পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা 'মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহারের' শামিল।
  • ১০ অক্টোবর প্রস্তাবিত ককরোচ পার্টির 'যন্তরমন্তর চলো' বিক্ষোভ ও সম্ভাব্য সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
  • সলিসিটর জেনারেল আদালতে জানান যে, আগের একটি মিছিলে আন্দোলনকারীদের রুখতে গিয়ে ২০০-র বেশি পুলিশকর্মী আহত হয়েছিলেন, যার ফলে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দিল্লিতে বিক্ষোভের জেরে জনপরিবহণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে কেন্দ্র ও প্রশাসনকে কঠোর বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার এবং নিরাপত্তার মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে, কিন্তু তার জেরে শহরের স্বাভাবিক জনজীবন বা যাতায়াত পুরোপুরি থমকে যাওয়া উচিত নয়।

মূলত আগামী ১০ অক্টোবর প্রস্তাবিত ককরোচ পার্টির 'যন্তরমন্তর চলো' কর্মসূচি এবং সম্ভাব্য সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা ও একাধিক ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই সুপ্রিম কোর্ট উষ্মা প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজ, পড়াশোনা ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। তাঁদের মধ্যে প্রবীণ নাগরিক ও শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। তাই নিরাপত্তার কারণে মেট্রো পরিষেবা কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা হলেও সমস্ত স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মামলার শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি প্রশ্ন তোলেন যে, শুধুমাত্র আশঙ্কার ওপর ভিত্তি করে সবকিছু কেন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতের কাছে যুক্তি উপস্থাপন করে জানান যে, গত ২০ জুন পুলিশ একটি নির্দিষ্ট দিনের মিছিলের অনুমতি দিলেও আন্দোলনকারীরা ১৭ দিন ধরে বসেছিলেন। পূর্ববর্তী বিক্ষোভের সময় আন্দোলনকারীদের রুখতে গিয়ে ২০০-র বেশি পুলিশকর্মী আহত হওয়ার মতো হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যার কারণে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

উভয় পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব পুলিশের এবং কিছু নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তবে কোথায় ব্যারিকেড রয়েছে বা বিকল্প রাস্তা কী—তা সাধারণ মানুষকে স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। মেট্রোর মতো জনবহুল পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ না করে প্রশাসনকে আরও সংবেদনশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ