দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা বাড়ার পর এবার স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের দাম কমার কারণে প্রতি ভরি ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও, যা নতুন বাজারে কার্যকর হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে।
- স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে সব ধরনের রুপার দামও সমহারে হ্রাস করা হয়েছে, যা স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দরপতনের প্রভাবেই দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে ফের বড় ধরনের পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের বা বিশুদ্ধ সোনার দাম কমার কারণে সার্বিক মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য অলংকার কেনা কিছুটা স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে গত কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার ফলে ক্রেতা সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছিল অলংকার। বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের সূচক এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নানা সূচকের ওঠানামার কারণে দেশের বাজারেও এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে। বাজুস নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।
স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রতি ভরি রুপার দামেও নির্দিষ্ট পরিমাণে ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রুপার দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতার মধ্যে রুপার দাম কমাও ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অর্থনীতির বর্তমান গতিপ্রকৃতি এবং মুদ্রাস্ফীতির হার পর্যালোচনা করলে আগামী দিনগুলোতেও স্বর্ণের বাজারে এই মূল্য ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বর্তমান পতন স্থানীয় বাজারে অলংকার বিক্রির স্থবিরতা কাটাতে কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।