লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

তাঁরা শুধু থাপড়ান, ভিডিও করেন, লাখ লাখ ভিউ

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 24 অক্টোবর 2026, 12:40 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 55 বার পঠিত
তাঁরা শুধু থাপড়ান, ভিডিও করেন, লাখ লাখ ভিউ
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ বা লাইক অর্জনের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষের ওপর শারীরিক ও মানসিক হয়রানির মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একশ্রেণির কনটেন্ট ক্রিয়েটর চড়-থাপ্পড় মারা বা বিব্রতকর পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করে তা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আপলোড করছেন, যা লাখ লাখ ভিউ ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া কুড়াচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এসব কর্মকাণ্ড রোধে অবিলম্বে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ বাড়ানোর লোভে সাধারণ মানুষকে চড়-থাপ্পড় মারা এবং সেই ভিডিও ধারণ করে অনলাইনে প্রচার করার প্রবণতা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে।
  • এ ধরনের আপত্তিকর ভিডিওগুলোর প্রতি ভিডিওতে লাখ লাখ ভিউ এবং শেয়ার হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও উঠতি কনটেন্ট ক্রিয়েটররা আরও বেশি অপরাধমূলক কার্যক্রমে উৎসাহিত হচ্ছেন।
  • সাইবার অপরাধ বিশেষজ্ঞরা সাইবার নিরাপত্তা আইন ও প্রচলিত দণ্ডবিধি অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিও তৈরি ও প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় একশ্রেণির কনটেন্ট ক্রিয়েটর নৈতিকতার সব সীমা লঙ্ঘন করে চলেছেন। সাধারণ পথচারী বা সাধারণ মানুষকে বিনা কারণে থাপড়ানোর মতো আক্রমণাত্মক ও বিব্রতকর ঘটনা ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করে তা টিকটক, ফেসবুক রিলস কিংবা ইউটিউব শর্টসে আপলোড করা হচ্ছে। এই ভিডিওগুলো মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে লাখ লাখ ভিউ অর্জন করায় অপরাধপ্রবণতা আরও বেশি উৎসাহিত হচ্ছে।

মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম এবং ভিউ বা রিঅ্যাকশনের ওপর নির্ভর করে আয় করার মানসিকতাই এই ধরনের অবক্ষয়ের মূল কারণ। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একটি অংশ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে ভিডিও তৈরি করছেন। এতে ভুক্তভোগীরা সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন এবং জনমনে তীব্র অসন্তোষ ও নিরাপত্তার অভাববোধ তৈরি হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাইবার অপরাধ দমন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু নৈতিক অবক্ষয় নয়, বরং এটি স্পষ্টতই ফৌজদারি অপরাধ। দণ্ডবিধি এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারায় বিনা অনুমতিতে কারও ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ, প্রকাশ এবং শারীরিক হেনস্তা করার অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু সচেতনতার অভাব এবং নজরদারির শিথিলতার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে।

এই ধরনের অপরাধমূলক কনটেন্ট রোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং সাইবার মনিটরিং সেলকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোতে এ জাতীয় ভিডিও রিপোর্ট করে দ্রুত অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও মিডিয়া বিশ্লেষকরা।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ