তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) - Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূল রাজনীতির প্রকৃত সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান দেশজুড়ে তরুণদের সংগঠিত করে দলকে রূপান্তরিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বই পড়ার সংস্কৃতি সংরক্ষণের আহ্বান জানান।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান দেশের প্রতিটি হাটে-মাঠে গিয়ে তরুণ প্রজন্মকে সংগঠিত করার মাধ্যমেই তৃণমূল রাজনীতির আমূল রূপান্তর ঘটিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন ড. মঈন খান।
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাহসিকতাপূর্ণ স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সততা, শৃঙ্খলা ও জনসেবার গুণাবলীকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালের কাদা-পাথরের লিপি থেকে শুরু করে ১৪৪০ সালে জার্মানির ছাপাখানা আবিষ্কার ও বর্তমান ই-বুকের যুগে জ্ঞানচর্চায় লাইব্রেরি সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূল রাজনীতির আধুনিক রূপরেখা তৈরি করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে তরুণ সমাজকে সুসংগঠিত করেছিলেন, যার ফলশ্রুতিতেই বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী ও গণমুখী সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করে ড. মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমান শৃঙ্খলা, সততা ও জনসেবা—এই তিনটি মহান গুণের ধারক ছিলেন। তিনি সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন অনিশ্চিত হয়ে পড়ত। সেই জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করেই বর্তমান নেতৃত্ব মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যে মানব সভ্যতার বিবর্তন ও বইয়ের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে পাথর ও কাদার ওপর লেখার মাধ্যমে বইয়ের প্রাথমিক রূপ সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে মিশর, চীন ও রোমে ‘স্ক্রল’ এবং কালক্রমে ‘কোডেক্স’ কাঠামোর বিকাশ ঘটে। এরপর ১৪৪০ সালে জার্মানিতে ছাপাখানা আবিষ্কার বইয়ের প্রকাশনা জগতে এক যুগান্তকারী বিপ্লব নিয়ে আসে, যা আধুনিক যুগে ই-বুকে রূপ নিয়েছে।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে পাঠাভ্যাস কমে যাওয়া ও বুকশপ বন্ধ হওয়ার প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের প্রকৃত সম্ভার। অতীতে মঙ্গোলীয় আগ্রাসনের সময় সভ্যতা ধ্বংস করতে লাইব্রেরিগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হতো। তাই যেকোনো জাতির গৌরবময় অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বই পড়া ও জ্ঞানচর্চার সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।