৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সরকারি চাকরিজীবীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতনে নতুন পে স্কেলের বাড়তি অর্থ যুক্ত হচ্ছে না। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অক্টোবরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়াসহ তা নভেম্বরের শুরুতে পরিশোধ করা হবে। আগামী ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ পোর্টালে বাধ্যতামূলক পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সেপ্টেম্বর মাসের বেতনে নতুন পে স্কেলের বাড়তি অর্থ আসছে না, তবে অক্টোবরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারণ করে নভেম্বরের শুরুতে তিন মাসের বকেয়াসহ তা পরিশোধ করা হবে।
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইনে পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এবং তা ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
- নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বর্ধিত মূল বেতন পাবেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বরের বেতনে নতুন পে স্কেলের কোনো বাড়তি অর্থ পাচ্ছেন না দেশের সরকারি চাকরিজীবীরা। অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, অক্টোবরের বেতন নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারণ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ফলে নতুন স্কেলে অক্টোবরের বেতন এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার একসঙ্গে নভেম্বরের শুরুতে পরিশোধ করা হবে। এই প্রক্রিয়া সফল করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-ফিক্সেশন বা নতুন বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীদের ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ (iBAS++) পোর্টালে প্রবেশ করে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে। কোনো তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ বা পুরনো রেকর্ডের সঙ্গে অসংগত হলে এই প্রক্রিয়া আটকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ইতিমধ্যে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং বিভাগওয়ারিভাবে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। শিগগিরই এ বিষয়ে অর্থ বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হবে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে আট বছর পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের সুবিধা পাবেন। তবে আগের বেতন কাঠামোয় টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন স্কেলে হিসাব কীভাবে হবে, তা নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে নিয়োগ বা পদোন্নতি পাওয়া কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগে আবেদন করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। অর্থ বিভাগের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটি মাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্তির পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়া যাবে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন। পরবর্তীতে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ হারে বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নের পাশাপাশি ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অন্যান্য ভাতাদি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে, যার সুফল পেনশনভোগীরাও পাবেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।