পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঠাকুরবাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী 'চিংড়ি পিঠে' খেয়ে প্রশংসা করেছেন। ৫০০ গ্রাম চাপড়া চিংড়ি, নারকেল ও সরষে বাটার মিশ্রণে তৈরি এই পদটি মাত্র ১৫ মিনিটে রান্না করা সম্ভব। কলাপাতা ব্যবহার করে ভাপে তৈরি এই সুস্বাদু খাবারটি ওপার বাংলার একটি জনপ্রিয় পদ, যা বর্তমানে ভোজনরসিকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ৫০০ গ্রাম চাপড়া চিংড়ির সাথে আধ কাপ নারকেল বাটা, ১ টেবিল চামচ সরষে বাটা এবং ৫টি কাঁচালঙ্কার মিশ্রণে এই বিশেষ পিঠে তৈরি করা হয়।
- রান্নার পদ্ধতিতে ননস্টিক কড়াইতে কলাপাতা বিছিয়ে মিশ্রণটি ১০ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করে আরও ৫ মিনিট ভাপে রাখার বিশেষ কৌশল অনুসরণ করা হয়।
- বরিশালের এই ঐতিহ্যবাহী পদটি শুভেন্দু অধিকারীর ঠাকুরবাড়ি সফরের মেন্যুতে অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ঠাকুরবাড়ির গুরুত্ব অপরিসীম, আর সেই ঠাকুরবাড়িতেই সম্প্রতি এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার খাবারের পাতে অন্যতম আকর্ষণ ছিল বরিশালের ঐতিহ্যবাহী 'চিংড়ি পিঠে'। অত্যন্ত অল্প সময়ে এবং ঘরোয়া উপকরণে তৈরি এই পদটি খেয়ে তিনি তৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। মূলত ওপার বাংলার এই বিশেষ রন্ধনশৈলী এখন দুই বাংলার ভোজনরসিকদের কাছে নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
এই সুস্বাদু পদটি তৈরির প্রধান উপকরণ হলো ৫০০ গ্রাম পরিষ্কার করা চাপড়া চিংড়ি। এর সাথে আধ কাপ নারকেল বাটা, এক টেবিল চামচ কালো সরষে বাটা, স্বাদমতো নুন, চিনি, হলুদ ও লঙ্কা গুঁড়ো ব্যবহার করা হয়। রান্নার বিশেষত্ব হলো কলাপাতা। কড়াইতে সরষের তেল ব্রাশ করে গোল করে কাটা কলাপাতা বিছিয়ে তার ওপর মশলাসহ চিংড়ির মিশ্রণটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, যা খাবারে একটি অনন্য সোঁদা গন্ধ যোগ করে।
রন্ধন বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র ১৫ মিনিটের এই প্রক্রিয়ায় চিংড়ি পিঠে তৈরি করা সম্ভব। ১০ মিনিট হালকা আঁচে চুলায় রাখার পর ৫ মিনিট ভাপে রাখলে এটি পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হয়। শুভেন্দু অধিকারীর পাতে এই পদটি পড়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এর রেসিপি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যারা কম সময়ে রাজকীয় স্বাদের খাবার পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ পদ।
ঐতিহ্যবাহী খাবারের এই প্রচার কেবল রসনাবিলাস নয়, বরং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনেরও প্রতীক। বরিশালের এই বিশেষ রান্নাটি ঠাকুরবাড়ির আতিথেয়তায় যুক্ত হওয়া দুই বাংলার রন্ধন ঐতিহ্যের সেতুবন্ধন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বা অতিথি আপ্যায়নে এই পদটি এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসছে, যা স্থানীয় মৎস্য বাজারগুলোতে চাপড়া চিংড়ির চাহিদাও বাড়িয়ে দিতে পারে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।