২১ অক্টোবর থান হোয়া প্রদেশে গণ কমিটির চেয়ারম্যান তো আন দুংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্থানীয় পণ্য সুপারমার্কেটের তাকগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বর্তমানে ২১টি প্রতিষ্ঠান ও সমবায় সমিতির ৫০টিরও বেশি পণ্য উইনকমার্স, সেন্ট্রাল রিটেইল ও এওনের মতো প্রধান বিতরণ ব্যবস্থায় স্থান পেলেও তা সম্ভাবনার তুলনায় অপ্রতুল। সভায় কাঁচামালের মানোন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- থান হোয়া প্রদেশের ২১টি প্রতিষ্ঠান এবং সমবায় সমিতির ৫০টিরও বেশি পণ্য বর্তমানে উইনকমার্স, সেন্ট্রাল রিটেইল, সাইগন কো-অপ এবং এওনের মতো প্রধান বিতরণ ব্যবস্থায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
- প্রাদেশিক গণ কমিটির চেয়ারম্যান তো আন দুং জানান যে হ্যানয়ের সুপারমার্কেটে বছরে প্রায় ৭০০ টন লাম সন চিনি ব্যবহৃত হলেও স্থানীয় সুপারমার্কেটে এর ব্যবহার মাত্র ৭.৫ টন।
- বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্রকে প্রতিটি বিতরণ ব্যবস্থার মানদণ্ড প্রকাশ এবং ফলাফল অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য 'একক কেন্দ্র' হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
থান হোয়া প্রদেশের স্থানীয় পণ্যগুলোকে আধুনিক সুপারমার্কেট ও শপিং মলের তাকগুলোতে পৌঁছে দিতে এবং তাদের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২১শে অক্টোবর বিকেলে থান হোয়া প্রদেশের গণ কমিটির চেয়ারম্যান তো আন দুংয়ের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশব্যাপী সুপারমার্কেট ও শপিং মলগুলোতে বিতরণ করা থান হোয়া উৎপাদিত পণ্যের পর্যালোচনা ফলাফল তুলে ধরা হয় এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি ২০২৭ সালের চান্দ্র নববর্ষ বা টেট উৎসবের জন্য পণ্য প্রস্তুত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রদেশের ২১টি প্রতিষ্ঠান, সমবায় এবং উৎপাদন কেন্দ্রের ৫০টিরও বেশি পণ্যশ্রেণী উইনকমার্স, সেন্ট্রাল রিটেইল, সাইগন কো-অপ, এওন এবং বিভিন্ন জৈব খাদ্যপণ্যের দোকানে স্থান পেয়েছে। এছাড়া ৫২টি শিল্পোদ্যোগ ও সমবায় কেন্দ্রের ৯০টি পণ্য লাইন উচ্চ সরবরাহ ক্ষমতা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ভিনাগ্রিন, লাম সন সুগার, সাও খুয়ে এবং তিন গিয়া ফিশ সসের মতো নামী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে আধুনিক বিতরণ ব্যবস্থার বিশাল সম্ভাবনার তুলনায় এই অর্জন এখনও সন্তোষজনক নয় বলে মত প্রকাশ করা হয়।
সভায় প্রাদেশিক গণ কমিটির প্রধান অকপটে স্বীকার করেন যে, আধুনিক বিতরণ ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা করার মতো পর্যাপ্ত ‘সামগ্রী’ বা সরবরাহ শৃঙ্খলের উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা থান হোয়ার স্থানীয় উৎপাদকদের রয়েছে ঘাটতি। উদাহরণস্বরূপ, হ্যানয়ের সুপারমার্কেটগুলোতে বছরে প্রায় ৭০০ টন লাম সন চিনি বিক্রি হলেও স্থানীয় বাজারে এর ব্যবহার মাত্র ৭.৫ টন। কাঁচামালের পরিমাণ ও মানের অসামঞ্জস্যতা, উৎপাদন ও ভোগের সংযোগের অভাব এবং নির্দিষ্ট ডেটাবেসের অনুপস্থিতিই এর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার সরাসরি ব্যবসার বিকল্প হবে না বা বাজেট থেকে আর্থিক সহায়তা দেবে না, বরং পথপ্রদর্শক ও সংযোগকারীর ভূমিকা পালন করবে। বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর লক্ষ্য হবে দেশব্যাপী খুচরা চেইন ও রপ্তানি, আর ক্ষুদ্র কেন্দ্রগুলোর লক্ষ্য হবে স্থানীয় সুপারমার্কেট ও ই-কমার্স। বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্রকে ‘একক কেন্দ্র’ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিপণন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত রাজস্ব বৃদ্ধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।