৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"গত তিন মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের আন্তর্জাতিক বাজারদর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশীয় বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম গ্রাহক পর্যায়ে আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্ববাজারে এলপিজির মূল উপাদান সৌদি সিপি'র (কন্ট্রাক্ট প্রাইস) মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্থানীয় উৎপাদক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই বাড়তি দামের মুখে পড়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির প্রধান কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের দাম গত তিন মাসে টনপ্রতি গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত নতুন মাসিক কন্ট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী প্রতি টন প্রোপেন ও বিউটেনের দাম যথাক্রমে ৬১০ এবং ৫৮০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
- কাঁচামালের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের বাজারে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের উৎপাদন ও আমদানিকৃত খরচ প্রতি সিলিন্ডারে অন্তত ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
গত তিন মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) প্রধান কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে এই দুই উপাদানের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের এলপিজি বাজার ও আমদানিকারকদের ওপর। বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে স্থানীয় বাজারেও জ্বালানি গ্যাসটির দাম সমন্বয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববাজারের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরামকো কোম্পানির নির্ধারিত মাসিক কন্ট্রাক্ট প্রাইস বা সিপি অনুযায়ী গত তিন মাসে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম টনপ্রতি প্রায় ১০০ থেকে ১২০ ডলার পর্যন্ত বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশে এলপিজি আমদানির খরচ এবং স্থানীয় রিফাইনারিগুলোর কাঁচামাল সংগ্রহে। পরিবহন খরচ ও ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে আমদানিকারকদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
এ বিষয়ে জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঁচামালের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে দেশের বাজারেও খুচরা পর্যায়ে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প থাকে না। তবে সাধারণ ভোক্তারা বলছেন, ইতিমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে গ্যাসের দাম বাড়লে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসিক খরচে বড় ধরনের টান পড়বে। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করে থাকে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে জ্বালানি আমদানির ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধান এবং আমদানিতে সরকারি ভর্তুকি বা কর হ্রাসের কথা ভাবার সময় এসেছে, যাতে সাধারণ ভোক্তারা অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বাংলা ট্রিবিউন-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।