লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

তৈরি ছিল না ভারত, অবতরণের জন্য হাসিনাকে অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হত’! মত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের

প্রতিবেদক / উৎস: Anandabazar Patrika | তারিখ: 03 অক্টোবর 2026, 10:37 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 57 বার পঠিত
তৈরি ছিল না ভারত, অবতরণের জন্য হাসিনাকে অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হত’! মত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মুখে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় গ্রহণ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন সে দেশের কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদরা। তাদের মতে, হঠাৎ সৃষ্ট পরিস্থিতিতে হাসিনাকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারত। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গ্রহণ করা ছাড়া নয়াদিল্লির সামনে বিকল্প কোনো বড় পথ খোলা ছিল না।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা সামরিক বিমানে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
  • ভারতের সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনীতিবিদ দীনেশ ত্রিবেদী এবং কূটনৈতিক মহলের মতে, ওই সময়ে হাসিনাকে গ্রহণ করা ছাড়া ভারতের সামনে অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প ছিল না।
  • যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের বিভিন্ন নীতি-নির্ধারক মহল মনে করছে, শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ অবস্থান ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মুখে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনার পেছনের কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তৎকালীন সেই রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের মুহূর্তে নয়াদিল্লির ভূমিকা এবং শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে ভারতের কৌশলগত বাধ্যবাধকতা ছিল বলে মনে করছেন দেশটির নীতিনির্ধারকরা। ভারতীয় রাজনৈতিক মহলের দাবি, সে সময় যদি হাসিনাকে ভারতের মাটিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া না হতো, তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত।

বিশ্লেষকদের মতে, আকস্মিক ওই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে ভারতের সামনে তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো খুব বেশি বিকল্প ছিল না। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দেওয়া দিল্লির জন্য এক প্রকার কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগত বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়, যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের জোরালো দাবি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশকেই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। এদিকে ভারতের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশে অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর তাকে ফেরত পাঠানোর দাবি আরও তীব্র হয়েছে।

সার্বিক এই পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কূটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ আইনি পরিণতি উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Anandabazar Patrika-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ