মার্কিন সিনেটর ও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদপ্রার্থী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করেছেন যে, ব্রাজিল থেকে জইর বলসোনারোকে পালাতে কোনো ধরনের সহায়তা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর ফ্লোরিডায় চলে যাওয়া বলসোনারো এবং তার পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারোর দেশত্যাগ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই এই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এলো।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন ব্রাজিল থেকে জইর বলসোনারোর দেশত্যাগে কোনো ধরনের সহায়তা করেনি।
- ২০২২ সালের ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পরপরই ফ্লোরিডায় পাড়ি জমান জইর বলসোনারো।
- বলসোনারোর দেশত্যাগ ও ফ্লাভিও বলসোনারোর ভ্যান বা জেট ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রভাবশালী সিনেটর মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে ব্রাজিল থেকে পালাতে সহায়তা করেনি। ২০২২ সালের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বলসোনারোর ফ্লোরিডায় চলে যাওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘ দিন ধরে নানা জল্পনা-কল্পনা চলে আসছে। রুবিওর এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সেই গুঞ্জন কিছুটা হলেও স্পষ্ট হলো।
এর আগে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারো জেট, ভ্যান এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক সহায়তার মাধ্যমে ব্রাজিল ত্যাগ করেন। ২০২২ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে বামপন্থী নেতা লুলা ডি সিলভার কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই বলসোনারোর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আইনি সুরক্ষা নিয়ে নানামুখী সমীকরণ তৈরি হয়েছিল।
বলসোনারো অবশ্য বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, তিনি পালিয়ে যাননি বরং ব্রাজিলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। ফ্লোরিডায় তার এই অবস্থান নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক মহলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, বিশেষ করে ট্রাম্প সমর্থকদের সঙ্গে বলসোনারোর আদর্শিক সম্পৃক্ততার কারণে বিষয়টি সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে বলসোনারো ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যকার এই সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে। যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সরাসরি সহায়তার বিষয়টি অস্বীকার করায় এখন ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বলসোনারোর ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।