লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

তৃণমূলের কাউন্সিলাররা দাঁড়াবেন BJP-র টিকিটে? সুকান্ত বললেন, ‘কলিং বেল বাজাক…’, একই সুর দিলীপেরও

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 24 অক্টোবর 2026, 04:35 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 77 বার পঠিত
তৃণমূলের কাউন্সিলাররা দাঁড়াবেন BJP-র টিকিটে? সুকান্ত বললেন, ‘কলিং বেল বাজাক…’, একই সুর দিলীপেরও
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর বা নেতাদের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা দৃঢ়ভাবে উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতৃত্ব। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ সাফ জানিয়েছেন, দলত্যাগী বা তৃণমুলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের জন্য বিজেপির দরজা আপাতত বন্ধ। এ নিয়ে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতার অবকাশ নেই।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের ৩ জন হেভিওয়েট নেত্রীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা তৈরি হলেও রাজ্য নেতৃত্ব তা নাকচ করে দিয়েছেন।
  • রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে তৃণমূলের কেউ টিকিটের আশায় যোগাযোগ করলে তাদের দল নেবে না।
  • প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও একই সুর গেয়েছেন এবং দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানান যে সুবিধাবাদী রাজনীতির কোনো স্থান গেরুয়া শিবিরে নেই।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

আসন্ন কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ চরমে উঠেছে। বিরোধীদের নানা জল্পনা এবং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন স্থানীয় কাউন্সিলর ও নেত্রীর দলবদলের গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে কালীপুজোর প্রাক্কালে গেরুয়া শিবির এই দুই বড় কর্পোরেশনে কাদের প্রার্থী করবে এবং সেই তালিকায় নতুন মুখ বা দলবদলু কারা থাকছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছিল।

তবে এই সমস্ত জল্পনা ও গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তৃণমূলের কোনো বিক্ষুব্ধ নেতা বা কাউন্সিলর যদি বিজেপির টিকিটের জন্য আবেদন করতে আসেন, তবে তাদের কোনো জায়গা দেওয়া হবে না। একই সুরে প্রবীণ ও প্রভাবশালী নেতা দিলীপ ঘোষও মন্তব্য করেছেন যে, তৃণমূল ত্যাগ করে রাতারাতি কেউ বিজেপিতে এসে সুবিধা নিতে পারবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে দলবদলু এবং তৃণমূলের বহু নেতাকে দলে ভিড়িয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের মুখে পড়েছিল বিজেপি। বিধানসভা ও অন্যান্য স্থানীয় নির্বাচনে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল দলের সংগঠনের ওপর। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আর কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব। হাই কমান্ডের স্পষ্ট বার্তা, তৃণমূল ছেড়ে আসা নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে বিজেপিকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

এই কঠোর দলীয় অবস্থানের ফলে একদিকে যেমন তৃণমূল শিবিরের সম্ভাব্য ভাঙন রোধ হয়েছে, তেমনই বিজেপির অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মনোবল চাঙা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসন্ন পুরভোটে দলের নিজস্ব শক্তি ও সাংগঠনিক ভিত্তির ওপর ভর করেই লড়তে চায় গেরুয়া শিবির, যা রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ