৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"ভারতের গাড়ির বাজারে মারুতি সুজুকি ও রেনো ২০২৭ সালের মধ্যে দুটি নতুন হাইব্রিড এসইউভি লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মারুতি ফ্রঙ্কস ফেসলিফ্টে ১.২ লিটার জেড-সিরিজ ইঞ্জিনের মাধ্যমে প্রতি লিটারে ৩৫ কিলোমিটারেরও বেশি মাইলেজ দেওয়ার দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রেনো তাদের নতুন ব্রিজার এসইউভিতে চারশো লিটার বুটস্পেস ও মাল্টি-মোড হাইব্রিড প্রযুক্তি যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মারুতি সুজুকির নতুন ফ্রঙ্কস হাইব্রিড মডেলে ১.২ লিটার, তিন সিলিন্ডারের জেড-সিরিজ পেট্রোল ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক মোটর ব্যবহার করা হবে, যার সম্ভাব্য মাইলেজ লিটারে ৩৫ কিলোমিটারের বেশি।
- ফরাসি গাড়ি নির্মাতা রেনো তাদের স্থানীয়ভাবে তৈরি আরজিএমপি (RGMP) প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে ২০২৭ সালে সাব-৪ মিটার এসইউভি 'ব্রিজার' বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে।
- রেনো ব্রিজারে পেট্রোল ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক মোটর ছাড়াও পেছনের যাত্রীদের জন্য ২০০ মিলিমিটার নি-রুম এবং ৪০০ লিটারের বিশাল বুট স্পেস রাখা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ভারতের অটোমোবাইল বাজারে জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ির চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ মানুষের যাতায়াত খরচ কমাতে মারুতি সুজুকি এবং রেনো-র মতো শীর্ষস্থানীয় অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তির হাইব্রিড এসইউভি বাজারে আনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে লঞ্চ হতে যাওয়া এই গাড়িগুলো দেশের মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের প্রধান পছন্দের তালিকায় স্থান করে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত মারুতি ফ্রঙ্কস হাইব্রিড মডেলে টয়োটার অ্যাটকিনসন সাইকেল-ভিত্তিক স্ট্রং হাইব্রিড সিস্টেমের তুলনায় অনেক কম খরচে নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ১.২ লিটার জেড-সিরিজ পেট্রোল ইঞ্জিনটি মূলত রেঞ্জ এক্সটেন্ডার হিসেবে কাজ করবে যা ব্যাটারি চার্জ করতে সহায়তা করবে। গাড়িটির বাহ্যিক ডিজাইনে বড় পরিবর্তন না এলেও অভ্যন্তরে হাইব্রিড ব্যাজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া থাকবে।
ফরাসি গাড়ি নির্মাতা রেনো তাদের ব্রিজার কনসেপ্টের ওপর ভিত্তি করে সাব-৪ মিটার এসইউভি তৈরি করছে যা তাদের নিজস্ব আরজিএমপি (RGMP) প্ল্যাটফর্মে নির্মিত হবে। এই প্ল্যাটফর্মটি পেট্রোল, হাইব্রিড এবং ইলেকট্রিক—তিনটি ভিন্ন পাওয়ারট্রেন সমর্থন করে। রেনো ডাস্টারের ডিজাইনের কিছু নান্দনিক ছোঁয়া এবং রাফ অ্যান্ড টাফ লুকের এই গাড়িতে পেছনের যাত্রীদের আরামের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচের কথা মাথায় রেখে ক্রেতারা এখন হাইব্রিড প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন। যদিও মারুতি ও রেনো এখনও তাদের গাড়িগুলোর আনুষ্ঠানিক মূল্যতালিকা ও সঠিক লঞ্চের তারিখ ঘোষণা করেনি, তবে এই সাশ্রয়ী ও অধিক মাইলেজ সম্পন্ন গাড়িগুলো বাজারে আসার পর এসইউভি সেগমেন্টের প্রতিযোগিতাকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Asianet News Bangla-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।