৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিমালায় ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় আইটি প্রতিষ্ঠান টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) এবং ইনফোসিস গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত প্রায় ১ লাখ ভারতীয় পেশাজীবী ও তাঁদের পরিবার গভীর আইনি জটিলতা এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন, যা দক্ষিণ এশীয় প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতি ও কড়াকড়ির কারণে টিসিএস এবং ইনফোসিসের মতো শীর্ষ ভারতীয় আইটি জায়ান্টগুলো গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছে।
- এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ১ লক্ষ ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও তাঁদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
- বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এই পরিস্থিতিকে ভারতীয় মেধার ওপর এক ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন, যার ফলে অনেক পেশাজীবী বাধ্য হয়ে দেশে ফিরে আসার কথা ভাবছেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যার সরাসরি কোপ পড়েছে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের ওপর। দেশটির নতুন ও কঠোর নিয়মের কারণে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) এবং ইনফোসিসের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি কম্পানিগুলোকে গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের আবেদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন মুলুকে কর্মরত প্রায় ১ লক্ষ ভারতীয় পেশাজীবী এবং তাঁদের পরিবার এক প্রকার আইনি জালে ফেঁসে গেছেন।
গত কয়েক বছর ধরে এইচ-ওয়ানবি (H-1B) ভিসার ওপর ভর করে আমেরিকার বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে আসছেন হাজার হাজার ভারতীয়। গ্রিন কার্ডের দীর্ঘসূত্রিতা এবং নতুন এই নীতিগত পরিবর্তনের ফলে অনেকেই একে 'সোনার খাঁচা' হিসেবে অভিহিত করছেন। কম্পানিগুলোর আবেদন বাতিলের পর বহু কর্মী তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন এবং মার্কিন মুলুকে স্থায়ীভাবে থাকা নিয়ে গভীর সংকটে পড়েছেন। বিশেষ করে যারা পরিবারসহ বছরের পর বছর ধরে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখছিলেন, তাদের সেই পরিকল্পনা এখন হুমকির মুখে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় প্রযুক্তি মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা এবং বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন যে, 'আমেরিকা আর আমাদের চায় না', যা দক্ষ ভারতীয় কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে আসার বা অন্য কোনো দেশে পাড়ি জমানোর কথা ভাবতে বাধ্য করছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান শুধু ভারতীয় কর্মীদেরই নয়, মার্কিন প্রযুক্তি খাতের সার্বিক উৎপাদনশীলতা এবং প্রবৃদ্ধির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে পারে সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে এবং সফটওয়্যার রপ্তানি খাতে। টিসিএস ও ইনফোসিসের মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আসায় অন্যান্য ভারতীয় আইটি ফার্মগুলোও মার্কিন বাজারে তাদের কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করতে শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন শ্রমবাজারের এই রূপান্তর আগামী দিনে গ্লোবাল আইটি সেক্টরে কাজের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার ABP Ananda-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।