খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার বসুপাড়া বকুলতলা এলাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে বাড়ির মালিক মজলিস খানের লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম নামের এক ভাড়াটিয়া নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত বাড়ির মালিক মজলিস খান ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে আটক করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার বসুপাড়া বকুলতলা শতরুপার মোড়ে বাড়িভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে মালিকের লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম নামের এক ভাড়াটিয়া নিহত হন।
- আজ রোববার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ভাড়াটিয়ার মৃত্যু হয় এবং তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
- এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বাড়ির মালিক মজলিস খান ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে আটক করেছে সোনাডাঙ্গা থানা-পুলিশ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন বসুপাড়া বকুলতলা এলাকায় বাড়িভাড়া-সংক্রান্ত তুচ্ছ বিরোধের জেরে মালিকের লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ভাড়াটিয়া নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের আবহ তৈরি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় বসুপাড়া বকুলতলা শতরুপার মোড় এলাকায় ভাড়াটিয়া রকিবুল ইসলামের সঙ্গে বাড়ির মালিক মজলিস খানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় বাড়ির মালিক মজলিস খান ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে সজোরে রকিবুলের মাথায় আঘাত করেন। আঘাতটি এতটাই গুরুতর ছিল যে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরও আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সোনাডাঙ্গা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আল মিরাজ খান জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইতিমধ্যে সোনাডাঙ্গা থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাড়ির মালিক মজলিস খান ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে আটক করেছে। বর্তমানে তাঁদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তুচ্ছ ঘটনায় এমন প্রাণহানির ঘটনায় নগরজুড়ে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।