লাইভ
তাৎক্ষণিক ৬০ শব্দের সংবাদ ও ২৪/৭ লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

প্রতিবেদক / উৎস: বিবিসি বাংলা | তারিখ: 04 অক্টোবর 2026, 01:23 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 65 বার পঠিত
ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন
৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ

"ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রসঙ্গে স্পষ্ট করেছেন যে, বিষয়টি আইনি কাঠামোর অধীন এবং ভারত এতে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে না। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট শেখ হাসিনা সামরিক বিমানে অনির্ধারিতভাবে আসার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় দিল্লি তা গ্রহণ করেছিল।"

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ঢাকার একটি বেসরকারি সংস্থার সম্মেলনে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়া ও সুনির্দিষ্ট কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়।
  • তিনি স্পষ্ট করেন যে শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমান বা সেনাবাহিনী নিজে থেকে নিয়ে আসেনি; তৎকালীন আকস্মিক ও বিয়োগান্ত ঘটনার মুখে প্রতিবেশী দেশের বাস্তবতা মেনে নিয়েই দিল্লি তাকে অবতরণের অনুমতি দিয়েছিল।
  • ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের প্রধান তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ঢাকার একটি বেসরকারি সংস্থার আয়োজিত সম্মেলনে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতে তার অবস্থান সংক্রান্ত বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন। শেখ হাসিনাকে কবে হস্তান্তর করা হবে—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া ও সুনির্দিষ্ট কাঠামো জড়িত রয়েছে। যেহেতু বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত, তাই নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয়। তার এই মন্তব্য দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ব্যাখ্যায় দীনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে নাটকীয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় শেখ হাসিনাকে বহনকারী সামরিক বিমানটি যখন ভারতে আসে, তখন দিল্লি তার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত ছিল না। নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি এড়াতে এবং আকস্মিক পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাস্তবতার খাতিরেই ভারত তাকে অবতরণের অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী বা বিমান বাহিনী তাকে বাংলাদেশে থেকে নিয়ে আসেনি, ফলে এ ঘটনার দায় ভারতের ওপর বর্তায় না।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় হাইকমিশনারের এই বক্তব্য গত বছরের ৬ আগস্ট ভারতের রাজ্যসভায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের দেওয়া বক্তব্যেরই ধারাবাহিকতা। এর মাধ্যমে মূলত ভারত এটি স্পষ্ট করতে চেয়েছে যে, শেখ হাসিনা ইস্যুটি একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বা আইনি বিষয় এবং এই একটিমাত্র কারণে ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আটকে রাখতে ইচ্ছুক নয়। বরং ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সচল রাখতে ভারতের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনৈতিক সরকার গঠনের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করেছে। বিশেষ করে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে।

স্বত্বাধিকার ও উৎস বিবরণী

এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার বিবিসি বাংলা-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সম্পূর্ণ খবর, লাইভ টিভি ও ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিন মাত্র ২ মিনিটে দেশের সব খবর জানুন ৬০ শব্দের স্মার্ট কার্ডে। বিজ্ঞাপনমুক্ত ক্লিন রিডার, ভয়েস ন্যারেটর এবং ২৪/৭ নিরবচ্ছিন্ন লাইভ টিভি চ্যানেল স্ট্রিমিং।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ