৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারত চ্যাম্পিয়নসকে ৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে রনি তালুকদার সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন। জবাবে ১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এনামুল হক জুনিয়রের ঘূর্ণিতে ১৩৮ রানে আটকে যায় ভারত। ম্যাচসেরা হন এনামুল।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে, যেখানে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন রনি তালুকদার এবং আরাফাত সানি ৩৭ রান করেন।
- ভারতের বোলিং ইনিংসে পীযূষ চাওলা ২৪ রানে ৩টি এবং পবন নেগি ও ঋষি ধাওয়ান ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
- মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র, যিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ভারত চ্যাম্পিয়নসকে ৩ রানে হারিয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস। সোমবার (১২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ভারত চ্যাম্পিয়নসের অধিনায়ক যুবরাজ সিং। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ দল। শেষ পর্যন্ত আরাফাত সানির ৩৮ বলে ৩৭ রান এবং নাসির হোসেনের ২১ বলে ২৪ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪১ রানের সম্মানজনক পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
ম্যাচে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা বেশ আক্রমণাত্মক হলেও ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত চাপে পড়ে দল। ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান তোলার পর ইমরুল কায়েস (১০) আউট হলে ধাক্কা খায় দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে। ভারতের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে পীযূষ চাওলা মাত্র ২৪ রান খরচায় তুলে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া পবন নেগি ও ঋষি ধাওয়ান দুটি করে উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের রান চাকা আটকে রাখেন।
১৪২ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ভারত চ্যাম্পিয়নস। মাত্র ৪ রানে আম্বাতি রাইডু আউট হওয়ার পর একে একে ফিরে যান স্টুয়ার্ট বিনি, অধিনায়ক যুবরাজ সিং, রবিন উথাপ্পা ও ইউসুফ পাঠান। ৫৫ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার উপক্রম হয় ভারতের। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র বল হাতে ভেলকি দেখান। মাত্র ১২ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ভারতের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার এনে দেয়।
শেষ দিকে পবন নেগি ও পীযূষ চাওলার ব্যাটে ভর করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় ভারত এবং শেষ ওভার পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় থাকে। তবে শেষ ওভারে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ভারতের জয়ের সব আশা ভেস্তে দেন পেসার আবু জায়েদ রাহি। রাহি ২৬ রান খরচ করে নেন ২ উইকেট। এই রোমাঞ্চকর ৩ রানের জয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ আত্মবিশ্বাস ফিরে পেল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার bd-pratidin.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।