নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ পেতে পারেন। আগামী ৬ নভেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির পর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং ৮ নভেম্বর শ্যামাপূজা উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। ফলে শুক্র, শনি ও রবিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং ৮ নভেম্বর শ্যামাপূজা উদযাপিত হবে।
- এর আগে ৬ নভেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজে টানা তিন দিন বন্ধের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- মাদরাসা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কিছু নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের নিজস্ব ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তাদের ক্ষেত্রে এই ছুটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নভেম্বরের শুরুতেই দেশের স্কুল-কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য টানা তিন দিন ছুটির একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং পরদিন ৮ নভেম্বর রবিবার হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এই বিশেষ ছুটির দিনগুলোর ঠিক আগে ৬ নভেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিন—শুক্র, শনি ও রবিবারে ছুটির আমেজ পেতে পারেন। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের স্কুল-কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ধারাবাহিক ছুটির সুবিধা প্রযোজ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে।
তবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ছুটি সমানভাবে কার্যকর হবে না। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে বিশেষ ছুটির কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। এছাড়া কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকায় এই পূজার ছুটি অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে টানা তিন দিন বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ছুটির এই সমন্বয় শিক্ষার্থীদের ক্লান্তি দূর করতে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উৎসব উদযাপনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তবে প্রতিষ্ঠান ভেদে ছুটির বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পরিচালনা পর্ষদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।