৬০ শব্দের স্মার্ট সারসংক্ষেপ"সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’-য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, ২০০১ সালের ভুজ ভূমিকম্প, মোরবির বন্যা ও কোভিড-১৯ মহামারির মতো সংকটময় ঘটনাগুলি তাঁর জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে এবং তাঁকে নানা কঠিন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছে।"
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- সরকারের প্রধান হিসেবে টানা ২৫ বছর পূর্ণ করার প্রেক্ষিতে নিজের রাজনৈতিক যাত্রার নানা অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার কথা জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০০১ সালের ভুজ ভূমিকম্প, মোরবির বন্যা, চন্দ্রযান অভিযান এবং কোভিড-১৯ মহামারির মতো বড় বড় ঘটনাকে তাঁর জীবনের অন্যতম শিক্ষণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’-য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি জানান, দেশের প্রতিটি গ্রাম এবং দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা তাঁকে শিখিয়েছে যে সীমিত সম্পদের মধ্যেও স্বপ্ন বড় ও সংকল্প দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ করার প্রেক্ষিতে নিজের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা এবং সেখান থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার কথা সবিস্তারে তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’-য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন সংকটের মোকাবিলা করতে গিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত নতুন পাঠ গ্রহণ করেছেন। শেখার এই স্পৃহা তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং আজও তিনি নিজেকে একজন ছাত্র হিসেবেই মনে করেন। বিগত আড়াই দশকের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে তিনি দেশের প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত সম্পদ বলে অভিহিত করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০১ সালের ভুজ ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলা তাঁকে পুনর্গঠনের কাজে দৃঢ় মনোবল জুগিয়েছিল। অন্যদিকে, মোরবির বন্যার ভয়াবহতা তাঁকে দিন-রাত ত্রাণ ও জনসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে প্রকৃত সেবার মানসিকতা শিখিয়েছে। এছাড়া, চন্দ্রযান অভিযান তাঁকে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা দিয়েছে এবং কোভিড-১৯ মহামারি দেশের আপামর জনসাধারণের সম্মিলিত শক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করিয়েছে।
সমালোচনা ও সমর্থনের ভারসাম্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, যাঁরা তাঁকে সমর্থন যুগিয়েছেন, তাঁরা যেমন তাঁকে ভালোবাসার শক্তি চিনিয়েছেন, তেমনই বিরোধীরা তাঁকে গণতন্ত্রের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছেন। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিক্ত ও মধুর—উভয় ধরনের অভিজ্ঞতাই তাঁকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গভীর অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্রতিটি সংকট ও সাফল্য তাঁকে জনসেবায় আরও বেশি সংবেদনশীল করে তুলেছে।
ভাষণের শেষ পর্যায়ে দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মোদি বলেন, গত ২৫ বছর ধরে সাধারণ মানুষ তাঁর ওপর যে আস্থা রেখেছেন, সেটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশের প্রতিটি গ্রাম ও প্রান্তিক মানুষের জীবন তাঁকে শিখিয়েছে যে সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও স্বপ্ন সবসময় বড় হওয়া উচিত। এই অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জনআস্থার পুরো অংশীদার ভারতের প্রতিটি সাধারণ নাগরিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই সংবাদের মূল তথ্য ও স্বত্বাধিকার Jagarantripura.com-এর নিকট সংরক্ষিত। পাঠকদের দ্রুত পাঠযোগ্যতার জন্য বাংলা নিউজ ২৪ সম্পাদকীয় টিম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।